ইলিশ প্রজনন মৌসুমের কারণে সমুদ্র ও নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা,সংরক্ষণ, বিক্রি ও পরিবহনে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় জেলেদের জন্য বরাদ্দ খাদ্য সহায়তায় নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
জেলেদের অভিযোগ,পটুয়াখালীতে ৬৯ হাজার ৪৭ জন নিবন্ধিত জেলে খাদ্য সহায়তা পেলেও অনেক নতুন জেলে তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পুরনো তালিকা অনুযায়ী এখনও চাল বিতরণ হওয়ায় সহায়তা পাচ্ছেন অনেক পেশা পরিবর্তনকারীও। এছাড়া সময়মতো চাল না পৌঁছানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
জেলেরা বলছেন, সাগরে মাছের অভাব, বৈরি আবহাওয়া ও লোকসানের কারণে তারা চরম দুশ্চিন্তায়। ট্রলার মালিক ও আড়ৎ ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন আর্থিক সংকটে। বরফ কল ও মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রগুলোতেও স্থবিরতা বিরাজ করছে। এর মধ্যে যোগ হয়েছে নিষেধজ্ঞা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, খাদ্য সহায়তা বিতরণে জটিলতা দূর করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, অক্টোবরের শুরুতে ইলিশের প্রধান প্রজনন সময়। তাই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সারা বছর কিছু ইলিশ ডিম ছাড়ে, এজন্য চিন্তার কিছু নেই।
