বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেচেন, জামায়াত নানা অজুহাতে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে ফন্দিফিকির করছে। কখনও পিআর, কখনও গণভোট, কখনও জুলাই সনদ নিয়ে তাদের আচরণ শিশুসুলভ এবং দুরভিসন্ধিমূলক। বিভিন্ন জটিল বিষয়কে পরিকল্পিতভাবে ইস্যু বানিয়ে আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে বিলম্বিত তথা অনিশ্চিত করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় নাগলা বাজারে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ শেষে এক পথসভায় তিনি একথা বলেন।
এর আগে গণসংযোগকালে তিনি নাগলা বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিক্রেতাসহ উপস্থিত জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান সম্বলিত তারেক রহমানের ৩১ দফাসহ জন কল্যাণে বিএনপির আগামী পরিকল্পনা সমেত লিফলেট তুলে দেন।
পথসভায় এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ বছর আওয়ামী লিগের কারণে মানুষ ভোট দিতে পরে নাই। গণঅভ্যুত্থানে ফ্যসিবাদের পতনের পর গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে হাসিনা যেমন ফ্যাসিবাদী হয়েছিল, তেমনি জামায়াত ভোটের পথে একের পর এক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে গণতন্ত্র ও ভোটবিরোধী শক্তি হিসেবে হিসেবে জনগণের কাছে বিবেচিত হচ্ছে। একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করায় এরা এখনও স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে জনগণের কাছে পরিচিত।
এ সময় প্রিন্স তার বক্তব্যে প্রান্তিক কৃষককে 'ফার্মার্স কার্ড' প্রদানের মধ্যমে একটি ফসলের উৎপাদন খরচ প্রদান, প্রতি ইউনিয়নে ধান ক্রয় কেন্দ্র স্থাপন ও সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে প্রতি ইউনিয়নে ‘ন্যায্যমূল্যের দোকান’ চালু, ‘প্রতিটি পরিবারে মা বা গৃহকর্ত্রীর নামে ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যদ্রব্যের একটি অংশ সরবরাহ, শিক্ষিত বেকারের জন্য এক বছরের জন্য ”বেকার ভাতা”, ক্ষমতায় আসার প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও গরিব রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, গ্রাম ও শহরের নারীদের জন্য এসএমই ঋণ সম্প্রসারণসহ জন কল্যাণে আগামী বিএনপি সরকারের কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আমতৈল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক পরান আলী কাঞ্চুর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হাই, মিজানুর রহমান, মোনায়েম হোসেন খান খোকন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা হোসনে আরা নীলু, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিএনপির ৩১ দফা হলো শান্তি-সুখের রূপরেখা
মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 