বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘দেশের শিক্ষকদের লাঠিচার্জ করে অথবা টিয়ার গ্যাস মেরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে হবে এর চেয়ে কলঙ্কজনক ঘটনা আর নেই।’ গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, ‘জাতিকে ধ্বংস করে দিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়ার নীতিমালা নিয়েছিল। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য যে চাবিকাঠিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে শিক্ষকদের যে শ্রদ্ধা, সম্মান, অবস্থা সেটাকে শেষ করে দাও। ছাত্রদের লেখাপড়ার পাঠ্যপুস্তক শেষ করে দাও। কোর্সগুলোকে ধ্বংস করে দাও এবং এর ফলেই কিন্তু আজকে আমরা এ অবস্থায় এসেছি।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘মানুষ বলে আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তিধর দেশ, বিশ্বের মোড়ল। এটা সাধারণভাবে বোঝায় তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি আছে। কিন্তু আমি কিন্তু সেভাবে বুঝি না, আমি যখন দেখি যখন আলোচনা করি বা মানুষের সঙ্গে কথা বলি, এই যুক্তি দিই আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশ এই কারণে, এখানে সবচেয়ে ভালো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, সবচেয়ে ভালো শিক্ষকরা রয়েছেন এবং সবচেয়ে ভালো ছাত্র রয়েছে। গত ১৫ বছরে যেভাবে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থক ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, আমি জানি না সেখান থেকে বের হয়ে আসতে আমাদের কত সময় লাগবে।’
জার্মানির শিক্ষাব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মঈন খান বলেন, ‘শিক্ষিত হয়ে ডিগ্রি নেওয়ার পর জার্মানির ছাত্রদের যদি জিজ্ঞাসা করা হতো তোমরা কী করবে? তারা একটা উত্তর দিত আমি শিক্ষক হব। অন্য কথায় তাদের জাতীয় পলিসি ছিল, যারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হবে, তারা মূলত দেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষিত প্রজন্ম তৈরি করবে।’
