মেক্সিকো সিটিতে সহিংসতা ও প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবামের সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিতে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমেছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিক্ষোভকারীরা ন্যাশনাল প্যালেসের চারপাশে স্থাপন করা ব্যারিকেডের অংশ ভেঙে ফেললে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভ চলাকালীন সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২০ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০০ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন, জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তা প্রধান পাবলো ভাজকেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ডাকাতি ও নাশকতার অপরাধে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মানসো এক নভেম্বর ডে অব দ্য ডেড উৎসবে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। মাদকচক্র ও কার্টেল সহিংসতার বিরুদ্ধে তার সরব ভূমিকাই তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল। জেন জি তরুণ সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে আয়োজিত এই র্যালিতে সাম্প্রতিক আলোচিত হত্যাকাণ্ডগুলোর প্রতিবাদ জানানো হয়—বিশেষ করে কার্টেলবিরোধী অবস্থানের জন্য নিহত উরুয়াপন মেয়র কার্লোস মানসোর ঘটনা তুলে ধরা হয়। 'আমরা সবাই কার্লোস মানসো' স্লোগানে ব্যানার দেখা যায়, অনেকে কাউবয় টুপি পরে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
প্রেসিডেন্ট শেইনবাম দাবি করেছেন—এই আন্দোলন ডানপন্থী রাজনীতিবিদদের দ্বারা অর্থায়িত এবং অনলাইনে বট ব্যবহার করে প্রচারিত। তিনি বলেন,'যুবকদের দাবি থাকতেই পারে, কিন্তু মানুষকে জানতে হবে কে এই বিক্ষোভের পেছনে আছে'
প্রথম বছরেই ৭০ শতাংশের বেশি সমর্থন ধরে রাখলেও শেইনবাম দেশজুড়ে সহিংসতা থামাতে ব্যর্থ হওয়ায় সমালোচনার মুখে। ফেন্টানাইল পাচার কমাতে কিছু সাফল্য এলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশ পেরুর সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েছে। মেক্সিকোর আশ্রয় দেওয়া এক প্রাক্তন পেরুভিয়ান প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর পেরুর কংগ্রেস তাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ঘোষণা করে,।
