ফিফা প্রকাশ করেছিল ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় আসরে ইতোমধ্যে যে দলগুলো কোয়ালিফাই করেছে—প্রতিটি দেশ থেকে একজন করে ফুটবলারকে দেখানো হয়েছিল সেই পোস্টারে।
কিন্তু অবাক করা বিষয়—সেখানে ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
পর্তুগালের প্রতিনিধিত্ব করতে পোস্টারে জায়গা পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। আর এটিই মুহূর্তে ক্ষুব্ধ করে তোলে রোনালদো–ভক্তদের। সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার বন্যা বয়ে যায়, মন্তব্যে ভেসে যায় ফিফার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট।
সমর্থকদের প্রশ্ন—"ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী তারকা, পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলারকে বাদ দেওয়া হলো কেন?”
চাপ এতটাই বাড়ে যে শেষ পর্যন্ত ফিফা পোস্টটি মুছে ফেলতে বাধ্য হয়।
ঘটনাটি রোনালদোর ক্যারিয়ারকে ঘিরে চলমান আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে, বিশেষ করে ২০২৬ বিশ্বকাপে তাকে দেখা যাবে কি না—সেই প্রশ্ন এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে ফিফার পোস্টার বিতর্কের মধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে আরেকটি ভাইরাল বিষয়—ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের অ্যাকাউন্টে রোনালদোর সঙ্গে খেলার একটি AI-জেনারেটেড ভিডিও পোস্ট করেছেন, যা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে হৈচৈ চলছে।
পোস্টার বিতর্ক, ট্রাম্পের ভিডিও এবং রোনালদোর অনুপস্থিতি—সব মিলিয়ে ফুটবল দুনিয়ায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু CR7-ই।
ভয়াবহ ভুমিকম্পে বন্ধ হয়ে যায় মিরপুর টেস্টের খেলা