একের পর এক অভিগোগে ক্রমশ দর্শক ও নির্মাতামহলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছেন সদ্য ঢাকাই সিনেমায় নাম লেখানো টিভি অভিনেত্রী তানজিন তিশা। গত মাসে দুইটি ফ্যাশন হাউজের পর এবার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। বাদ পড়া তিশার ভারতীয় সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’র প্রযোজক শরীফ খান প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। এই নির্মাতা বলেন, এম. এন. রাজ পরিচালিত ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন তানজিন তিশা। কিন্তু এই অভিনেত্রীর অসহযোগিতা ও বারবার মিথ্যা বলার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়ার পর তিশা অগ্রিম নেওয়া পারিশ্রমিকের অর্থ ফেরত দিচ্ছেন না। তবে এসব অভিযোগকে ‘ফালতু’ বলে মন্তব্য করেছেন তিশা।
তানজিন তিশা বলেন, ‘এই অভিযোগ ফালতু। আমাকে চুক্তির সময় এক তৃতীয়াংশ পেমেন্ট দেওয়া হয়েছিল। এই সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ভিসা পাওয়ার অপেক্ষায় দেড়মাস কোনো কাজ করিনি। চুক্তিতে উল্লেখ আছে, শুটিং ক্যানসেল হলে এই অর্থ ফেরত যাবে না।’ প্রযোজকের অপেশাদার আচরণের ঘটনা উল্লেখ করে তিশা বলেন, ‘শরীফ (শরীফ খান) নামে একজন আমার সঙ্গে মধ্যরাতে ফোন করে কথা বলতে চেয়েছে, এত রাতে আমি কেন কথা বলব? এটা তো পেশাদার আচরণ হতে পারে না। আমি অবশ্য দিনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আর উনি তো এই সিনেমার প্রযোজকই নন। এর বেশি কিছু বলতে হলে আমার আইনজীবী বলবেন।’
তিশার আইনজীবী জসীম উদ্দিন বলেন, ‘তানজিন তিশা চুক্তি অনুযায়ী তার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পালন করেছেন। তিনি শিডিউল প্রদান করেছেন এবং কাজের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু ডিরেক্টর ভিসা এবং শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে চুক্তির সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ অনুযায়ী ডিরেক্টরের ডিফল্ট (অপরাধ) স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তিশার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আর্টিস্ট ডিফল্ট ঘটেনি। বরং ভিসা বিলম্ব ও শিডিউল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে তিশাই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।’
কিন্তু প্রযোজকের দাবি, প্রথমে ৩০ হাজার রুপি পরে তিশার বোনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এরপর থেকেই গড়িমসি শুরু করেন তিশা।
ভালো দৃষ্টান্ত রেখে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার: পরিবেশ উপদেষ্টা
রামপুরার গণহত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ৪ ডিসেম্বর
স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূর গলা ফাঁস 