সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রীর এপিএসের সম্পত্তি ক্রোক

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৫ এএম

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেয়াই সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস এএইচ এম ফুয়াদের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গতকাল সোমবার বিকেলে সিআইডির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জাননো হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় গত ৩ আগস্ট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে সিআইডি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরিদপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ফুয়াদের ৫ কোটি ৪৪ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮৬ টাকা মূল্যমানের একটি ফ্ল্যাট ও ৩৮ দশমিক ৯৩৩ শতাংশ জমি ক্রোক করেছে সিআইডি।

সিআইডির অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ছিলেন এএইচ এম ফুয়াদ। সে সময় ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের নেতৃত্বে ফরিদপুর শহরের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ‘হেলমেট বাহিনী’ নামে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে ফুয়াদ। তার বাহিনীর সাহায্যে এলজিইডি, স্বাস্থ্য প্রকৌশলী, শিক্ষা অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, বিএডিসি, পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ অফিস, রোডস অ্যান্ড হাইওয়েসহ অন্যান্য দপ্তরের টেন্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখে। এসব টেন্ডার থেকে বিভিন্ন হারে কমিশন গ্রহণ করে অবৈধ সম্পত্তি অর্জন করে। টেন্ডারবাজি ছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেও অর্থ উপার্জনের অভিযোগও রয়েছে ফুয়াদের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, নিজের নাম ছাড়াও ১ম স্ত্রী ফারজানা ফুয়াদ, ২য় স্ত্রী তাছলিমা আক্তার বাবলী, ২য় পক্ষের শাশুড়ি নাদিরা বেগমসহ নামে-বেনামে বহু জায়গা-জমি কিনে সেগুলোর দখলদারিত্ব ন্যস্ত করে ভাই ও ভাগিনার মতো আত্মীয়দের হাতে। এমনকি বেনামে বিলাসবহুল বাস কিনে পরিবহন খাতেও বিনিয়োগের তথ্যও সিআইডির অনুসন্ধানে এসেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত