ঝিনাইদহ-বগুড়ায় কুপিয়ে নরসিংদীতে গলা কেটে হত্যা

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:০৩ এএম

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামে মুরাদ হোসেন (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পৌর এলাকার পবহাটি সিটি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, গত ২২ নভেম্বর মুরাদ হোসেনের পিতা আফজাল হোসেন মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর কুলখানি না করা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুরাদ হোসেন ও আলম ম-লের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে গতকাল দুপুরে পবহাটি সিটি মোড়ে চাচাতো ভাই আলমের ছেলে সৌরভ তিনটি মোটরসাইকেলে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহকারে মুরাদের ওপর হামলা করে। সে সময় মুরাদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মুরাদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে ধরতে পুুলিশ কাজ করছে।

এদিকে, বগুড়ার নন্দীগ্রামে কুঠার দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করেছেন স্বামী। গতকাল শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের বাঁশোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুঠার উদ্ধারসহ ঘাতক স্বামী তয়েজ উদ্দিনকে (৫০) আটক করেছে। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য শামছুর রহমান বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে তয়েজ উদ্দিনের স্ত্রী গোসল সেরে বাথরুম থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কুঠার দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্ত্রীকে হত্যা করে তয়েজ উদ্দিন ঘরের দোতলায় উঠে বসেছিলেন। তয়েজ উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক রোগে ভুগছিলেন।

অন্যদিকে নরসিংদীর রায়পুরায় এক অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল দুপুরে উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের গাবতলী-আমিরগঞ্জ সড়কের বদরপুর ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত অটোরিকশাচালকের নাম শাহাদাত হোসেন (১৪)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দরিদ্র পরিবারের সন্তান কিশোর শাহাদাত হোসেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তার বড় ভাই ইয়াছিন হোসেনের অটোরিকশা চালাতেন। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয়রা পাশর্^বর্তী এলাকা গাবতলী-আমিরগঞ্জ সড়কের বদরপুর ব্রিজসংলগ্ন সড়কের পাশে তার গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। আর একটু অদূরেই তার অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখা  যায়। স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের ভাই ইয়াছিন জানান, ছিনতাইকারী চক্র আমার ভাইয়ের কাছ থেকে অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শাহাদাত তার রিকশাটি দিতে চায়নি, এ অবস্থায় তারা আমার ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত