বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত তিন মাসে ভারত থেকে ১৮ হাজার ১১ মেট্রিকটন মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫৫টি চালানের বিপরীতে ৫৮০টি ট্রাকে এসব চাল আমদানি করা হয়। চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে প্রবেশ করে।
দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। যা সরকার ঘোষিত চাল আমদানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে গত ৩০ নভেম্বর।
তবে চাল আমদানি অব্যাহত থাকলেও দেশের বাজারে দামের কোন প্রভাব নেই অভিযোগ ক্রেতাদের।
ভ্যান চালক মনু মিয়া বলেন, ভারত থেকে চাল আমদানি অন্যদিকে নতুন আমন ধানের চাল উঠলেও খুচরা বাজারে তেমন প্রভাব নেই। খুচরা বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আমরা নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে পারলেও চাল কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত আগস্টে এক হাজার ২৬০ মেট্রিকটন, সেপ্টেম্বরে ৫ হাজার ৪৩৫ মেট্রিকটন, অক্টোবরে ৫ হাজার ১৮৮ মেট্রিকটন এবং নভেম্বর মাসে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিকটন চাল ভারত থেকে আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চাল এসব চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করেছেন পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল। পুনরায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর অনেক প্রতিষ্ঠান এলসি খুলে গত ২১ আগস্ট থেকে আবার চাল আমদানি শুরু করে। যা আমদানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে গত ৩০ নভেম্বর। এই সময়ের মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৮ হাজার ১১ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশে নতুন আমন ধানের চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। চালের দাম কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক সজীব নাজির বলেন, তিন মাসে ভারত থেকে ১৮ হাজার ১১ মেট্রিকটন মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাস দেওয়া হয়েছে।
মানি লন্ডারিং কাণ্ডে নেহার নাম
আগামীকাল এভারকেয়ার এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়া চালাবে সেনাবাহিনী–বিমানবাহিনী