অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন ভারতের অভিজ্ঞান কুন্ডু। মাত্র ১২১ বলেই ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করে টুর্নামেন্টে নতুন কীর্তি গড়েছেন এই তরুণ ব্যাটার। তবে এত বড় অর্জন সত্ত্বেও আনুষ্ঠানিক রেকর্ডবুকে জায়গা পাচ্ছে না তাঁর নাম। কারণ ভারত–মালয়েশিয়া ম্যাচটি যুব ওয়ানডে স্বীকৃতি পায়নি।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে কুন্ডু শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২০৯ রানে। কিন্তু ম্যাচটির অফিসিয়াল ওয়ানডে মর্যাদা না থাকায় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের তালিকায় এই ইনিংস যুক্ত হচ্ছে না। ফলে যুব ওয়ানডেতে ভারতের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি এখনো আম্বাতি রায়ডুর কাছেই রয়ে যাচ্ছে।
কুন্ডুর মতো এমন দুর্ভাগ্যের শিকার এর আগেও হয়েছেন ক্রিকেটাররা। ২০১২ সালে কাতারের বিপক্ষে বাংলাদেশের সৌম্য সরকার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। ১৩৫ বলে করা তাঁর ২০৯ রানের সেই ইনিংসটিও যুব ওয়ানডে স্বীকৃতি না পাওয়ায় অফিসিয়াল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন আম্বাতি রায়ডু। সেই ইনিংসের সুবাদে টানা ২৩ বছর ধরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি অক্ষত রয়েছে।
দুবাইয়ের সেভেনস স্টেডিয়ামে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। অন্যপ্রান্তে উইকেট পড়লেও ২৬ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫০ করেন তিনি। ৮৭ রানের মাথায় সূর্যবংশী আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন কুন্ডু। এরপর চতুর্থ উইকেটে ভেদান্ত ত্রিভেদীর সঙ্গে ২০৯ রানের বিশাল জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত দেন তিনি।
৪৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন কুন্ডু। এরপর ৮০ বলেই পৌঁছে যান সেঞ্চুরিতে। শতকের পর আরও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এই বাঁহাতি উইকেটরক্ষক ব্যাটার। পরের একশ রান করেন মাত্র ৪১ বলে। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৭টি চার ও ৯টি ছক্কার মার।
কুন্ডুর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ভারত ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে বিশাল ৪০৮ রান। এর আগে আমিরাতের বিপক্ষে ৪৩৩ রান করেছিল তারা।
আইপিএল নিলাম: ৪১ কোটিতে গ্রিন আর পাতিরানাকে কিনলো শাহরুখের কেকেআর