বাংলাদেশের লাখো মজলুম মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয় দিবসকে কলুষিত করার ও এতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করার প্রতিবাদে, গুজরাটের “কসাই” খ্যাত ভারতের ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুশপুত্তলিকা দাহ, ছবি পদদলিত এবং ছবিতে জুতার মালা ঝুলিয়ে জুতা নিক্ষেপ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আধিপত্যবাদ বিরোধী শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।
আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক রিয়াদুল ইসলাম যুবাহ বলেন, “গুজরাটের কসাই, ভারতের ফ্যাসিস্ট নরেন্দ্র মোদীর পদলেহনকারী দালালরা এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিক্রি করে দিলেও দেশের জনগণ রক্ত দিয়ে তা এই চব্বিশে ফিরিয়ে এনেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সেই একাত্তর থেকেই ভারতীয় বাহিনী এদেশে গণহত্যা, লুটপাট ও সীমান্ত হত্যা চালিয়ে আসছে। মোদী বিরোধী আন্দোলন, পিলখানা সহ বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে নিজেদের কলোনি বানাতে এখনো গুপ্ত ও সীমান্ত হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করছে।”
যুবাহ আরও বলেন, “আওয়ামীলীগ-শাহবাগীদেরকে দিল্লির এদেশীয় দালাল দোসর পরীক্ষা দিয়ে এই সব বর্বর জঙ্গী কার্যক্রম এদেশে প্রতিনিয়ত পরিচালিত হচ্ছে। আবরার, ফাহাদ, ফেলানী থেকে দু’দিন আগেও আমাদের ওসমান হাদি ভাইকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা চেষ্টা করেছে এই ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী।”
তিনি উল্লেখ করেন, “ভারতের ফ্যাসিস্ট গুজরাটের কসাই নরেন্দ্র মোদী প্রতিনিয়ত ভারতের সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও প্রার্থনাগার আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে ধ্বংস করছে। সংখ্যালঘুদের ওপর গুম, খুন, ধর্ষণ সহ সকল ধরনের বর্বর নির্যাতন চালাচ্ছে।”
যুবাহ দীপ্ত কণ্ঠে বলেন, “এই নরখাদক মোদি আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি যে নজর দিয়েছে তা কখনোই সফল হবে না। এটা হায়দ্রাবাদ, সিকিম কিংবা কাশ্মীর নয়।”
সবশেষে তিনি, “ভারতে পলাতক বাংলার কসাই হাসিনা সহ খুনি লীগের সন্ত্রাসীদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানো এবং অবিলম্বে এই ধরনের বর্বর আধিপত্যবাদী আচরণ বন্ধ করার আহ্বান জানান।”
