প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষা স্থগিত করেছে হাইকোর্ট

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৩ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া গত ১১ নভেম্বর স্মারকের কার্যক্রমের ওপর এক মাসের স্থগিতাদেশ দেয়।

গত ১৪ ডিসেম্বর এ আদেশ হয় এবং আজ বুধবার আদেশের অনুলিপি হাতে পেয়েছেন বলে জানান রিটকারীদের আইনজীবী নিয়াজ মোর্শেদ। আগামী ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর এ মেধা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের পরিচালক মো. ফারুক হোসেন এবং মোশাররফ হোসেন ও আবুল খায়ের নামে দুজন অভিভাবক সম্প্রতি এ রিট আবেদনটি করেন।

রিটকারীদের আইনজীবী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১৭ জুলাই এক সিদ্ধান্তে জানায়, শুধু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৩ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে অধিদপ্তরের ওই সিদ্ধান্ত (বৃত্তি পরীক্ষা) বাতিল ঘোষণা করে আদালত।

পাশাপাশি ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরিচালনা নীতিমালার আলোকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যোগ্য শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিয়ে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করতে বলে হাইকোর্ট। এমন পরিস্থিতিতে অধিদপ্তর ১১ নভেম্বর ওই স্মারক প্রকাশ করে।

অ্যাডভোকেট নিয়াজ মোর্শেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, একই বিষয়ে একই তারিখ (২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর) ধরে মেধা যাচাই পরীক্ষার সূচি নির্ধারণ করে অধিদপ্তর এবং এ ধরণের পরীক্ষা আগে কখনো হয়নি।

তিনি বলেন, ‘মূলত বেসরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বাদ দিতেই হাইকোর্টের রায়কে পাশ কাটিয়ে চতুরতার আশ্রয় ও পরীক্ষার নাম পরিবর্তন করে মেধা যাচাই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। হাইকোর্ট তাতে স্থগিতাদেশ ও রুল দিয়েছেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত