পাবনার ঈশ্বরদীতে ইটভাটার মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বীরু মোল্লাকে (৬০) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ১৬ ডিসেম্বর নিহত বীরু মোল্লার চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লা পারিবারিক বিরোধপূর্ণ একটি জমি থেকে ইটভাটার জন্য মাটি কাটা শুরু করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বুধবার সকালে বীরু মোল্লা লোকজন নিয়ে জহুরুল মোল্লার বাড়িতে যান বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে। সেখানে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা প্রথমে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ভয় দেখান। পরে সরাসরি গুলি চালালে বীরু মোল্লা মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
জানা গেছে, নিহত বীরু মোল্লা ও অভিযুক্ত জহুরুল মোল্লা আপন চাচাতো ভাই।
ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার জানান, আমার দলের একজন ত্যাগী নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা আপন চাচাতো ভাই হলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, ইটভাটার মাটি কাটা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা বীরু মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি।
