কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় শাশুড়ি সুফিয়া বেগমকে (৭০) পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগে জামাতা জামাল সিকদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে র্যাব-১১ সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, গত ১০ অক্টোবর তিতাস থানার মজিদপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের শিকদার বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়কে কেন্দ্র করে জামাল সিকদারের সঙ্গে তার স্ত্রী ও মেয়ের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি মেয়ে মারিয়া আক্তারকে (১৭) মারধর ও লাথি মারেন। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনার খবর পেয়ে সুফিয়া বেগম জামালের বাড়িতে যান। নাতনিকে মারধরের কারণ জানতে চাইলে তার সঙ্গে শাশুড়ির বাগ্বিতণ্ডা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাল শাশুড়িকে মারধর করে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। ঘটনাস্থলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মারিয়া আক্তার তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকে আসামি পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১-এর একটি আভিযানিক দল আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে জামালকে আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
