রানার হ্যাটট্রিকের পর সিলেটের নাটকীয় জয়

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২০ পিএম

নিশ্চিত জয়ের পথেই ছিল সিলেট টাইটান্স—শেষ তিন ওভারে দরকার ছিল মাত্র ২৪ রান। সেই সময়ে বল হাতে নিলেন বাঁহাতি পেসার মেহেদি হাসান রানা। ওভারের শুরুটা ভালো হয়নি, প্রথম বলেই নো বল। কিন্তু পরের বলগুলোতেই বদলে গেল ম্যাচের মোড়। শেষ তিন ডেলিভারিতে একের পর এক তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রানা। তাঁর ওই দারুণ স্পেলে আবার লড়াইয়ে ফেরে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

এরপর হাসান মাহমুদের আঁটসাঁট ওভার ম্যাচের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়। শেষ ওভারে দাঁড়ায় ৬ বলে ১৩ রানের সমীকরণ। সাব্বির হোসেনের প্রথম দুই বল ছিল ডট, তবে তৃতীয় বলে বিমার করে বসেন তিনি। ফ্রি হিটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ছক্কা হাঁকান ইথান ব্রুকস।

তাতে সমীকরণ নেমে আসে ৩ বলে ৬ রানে। পরের বলেই চার মারেন ব্রুকস। কিন্তু নাটকীয়তা থামে না—পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে যান তিনি। তখন সিলেটের হাতে মাত্র এক উইকেট, শেষ বলে দরকার ২ রান। সাব্বির দেন ওয়াইড। পরের বলেই লেগ বাই থেকে এক রান নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন সালমান ইরশাদ।

এর আগে ৪১ বলে ৬০ রানের ইনিংসে সিলেট টাইটানসকে জেতাতে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পারভেজ হোসেন। কাজটা অবশ্য সহজ করে দিয়েছিলেন বোলাররাই—খালেদ আহমেদ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা নোয়াখালীর প্রথম ৪ ব্যাটসম্যানের তিনজনই ফেরেন শূন্য রানে। যাঁরা রান করেছেন, তাদেরটাও ঠিক টি-টোয়েন্টিসুলভ ছিল না। অধিনায়ক সৈকত আলীই যেমন ২৯ বল খেলে করেছেন মাত্র ২৪ রান। ৫১ বল খেলা মাহিদুলও ৬১ রানের বেশি করতে পারেননি। নোয়াখালীর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইক রেট ছিল জাকের আলীর, ১৭ বলের ইনিংসে ৪ চারে ২৯ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে।

রান তাড়ায় ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল সিলেট টাইটানসও। তবে পারভেজের সঙ্গে ৬৫ বলে ৮৩ রানের জুটিতে দলের জয়ের পথটা সুগম করে দেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে তালগোল পাকালেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে সিলেট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত