কর্তৃপক্ষের গাফিলতি!

বৃত্তি পরীক্ষা দিতে পারেনি ১১ শিক্ষার্থী

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১৪ এএম

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও গাফিলতিতে ২০২৫ সালের জুনিয়র (দাখিল অষ্টম শ্রেণি) বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি চৌদ্দগ্রাম ফয়েজুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসার কোমলমতি ১১ শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদ্রাসা অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিক্ষুব্ধ ও বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গত রবিবার সারা দেশে জুনিয়র (দাখিল অষ্টম শ্রেণির) বৃত্তি পরীক্ষা একযোগে শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এবার প্রায় সব মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় আর সবার সঙ্গে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল পৌরসভাধীন ফয়েজুন্নেছা বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও। কিন্তু পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে গিয়ে ওই মাদ্রাসার বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ফেরত আসে। বৃত্তির রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণসংক্রান্ত অনলাইনে সাবমিটজনিত ভুলের কারণে এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলে আগ্রহীরা পরীক্ষা দিতে পারছে না। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ তাদের অভিভাবকদের। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে দায় স্বীকার করে চৌদ্দগ্রাম ফয়েজুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহসান উল্লাহ বলেন, ‘ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের অফিসিয়াল তথ্য সাবমিটজনিত ভুলের কারণে তারা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। গত ২১ এবং ২২ ডিসেম্বর আমরা বিষয়টি নিয়ে বোর্ডে পর্যন্ত যাই। কিন্তু অফিসিয়াল নিয়মের কারণে শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কিছুটা অসন্তুষ্ট হলেও আমরা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবহিত নই।  শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের পক্ষ থেকেও কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত