এএসপির বিরুদ্ধে বাসচালককে মারধরের অভিযোগ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪১ এএম

নওগাঁর সহকারী পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে বাসচালককে অফিসে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপারের (সাপাহার সার্কেল) কার্যালয়ে ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ও বাস মালিক জানায়, গত রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ‘হিমাচল’ পরিবহনের একটি বাস সাপাহার থেকে ছেড়ে রাজশাহীর উদ্দেশ রওনা হয়। পথে ওই বাসটিতে ওঠেন সহকারী পুলিশ সুপার (সাপাহার সার্কেল) শ্যামলী রানী বর্মণের স্বামী কলেজ শিক্ষক জয়ন্ত বর্মণ। তিনি ওই বাসে সিটবিহীন টিকিট কেটে ধানসুরা নামার উদ্দেশ ওঠেন । বাসটিতে উঠেই তিনি একটি ফাঁকা সিট পেয়ে বসে পড়েন। পথে দিঘার মোড়ে পৌঁছালে জয়ন্ত বর্মণকে সিট থেকে উঠে ওই সিটের যাত্রীকে বসতে দেওয়ার অনুরোধ করেন বাসের সুপারভাইজার সিয়াম। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে সাপাহার সার্কেল এএসপির স্বামী পরিচয় দিয়ে সুপারভাইজারকে হুমকি দেন জয়ন্ত বর্মণ। একপর্যায়ে সিট ছেড়ে বাসচালক বাদলের কাছে যান এবং তর্কে জড়ান। পরে নির্ধারিত গন্তব্যে ধানসুরায় নেমে যাওয়ার আগে চালক ও সুপারভাইজারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

ঘটনার পরপর সাপাহারের টিকিট মাস্টারকে অফিসে ডেকে নেন শ্যামলী রানী বর্মণ। টিকিট মাস্টারের ব্যবহৃত মোবাইলফোন থেকে বাসচালক বাদলকে কল দিয়ে চালক ও সুপারভাইজারকে হুমকি প্রদান করেন। একপর্যায়ে রাত ১০টায় ‘হিমাচল’ পরিবহনের ওই বাস পুনরায় সাপাহারে ফিরলে চালককে অফিসে ডেকে আনেন শ্যামলী রানী। পরে তাকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন জয়ন্ত বর্মণ। এরপর শ্যামলীর নির্দেশে তার বডিগার্ড আনন্দ বর্মণ পাইপ দিয়ে চালককে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। মারধরের কারণে একপর্যায়ে বাসচালক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরের দিন সোমবার দুপুরে রাজশাহীতে ফিরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত