গাইবান্ধায় পাঁচদিন পর মিলল সূর্যের দেখা, ঝলমলে রোদে জনজীবনে স্বস্তি

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

উত্তরের জেলা গাইবান্ধায় টানা পাঁচ দিন পর দেখা মিলেছে সূর্যের। সকাল সকাল ঝলমলে মিষ্টি রোদে স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। তবে উত্তরের ঝিরিঝিরি হিমেল বাতাস থাকায় দিনের বেলাতেও অনুভূত হচ্ছে শীত।

রংপুর আবহাওয়া কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় গাইবান্ধায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে তা সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নয়। গত এক সপ্তাহ থেকে জেলায় সর্বনিম্ম ৯ ডিগ্রী থেকে দিনের সর্বোচ্চ ১৬ ডিগ্রী তাপমাত্রায় উঠানামা করত। ঘন কুয়াশা না থাকায় সকাল সাড়ে ৮ টার দিকেই উঁকি দিয়েছে সূর্য। ধীরে ধীরে উঠেছে ঝলমলে রোদ।

এর আগে শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন উত্তরের এই জনপদে দেখা মেলেনি সূর্যের। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা, মেঘলা আকাশ, আর উত্তরের হিমশীতল বাতাসে অনুভূত হচ্ছিল হাড়কাঁপানো শীত। কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল জনজীবন। কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন  খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। গতকাল সোমবার  দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা। এতে ভিজে গেছে পিচঢালা পথ। এদিন শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও দিনভর রোদ না ওঠায় কমে যায় দিনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান। 

গত শুক্রবার গাইবান্ধায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

এদিকে বুধবার সকালে ঝলমলে রোদের মধ্যে জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার কুমারগাড়ী গ্রামের চাষ করা জমিতে জৈব সার ছিটাচ্ছিলেন কৃষক মোমিনুর সরকার (৪৫)। তিনি বলেন, কয়েকদিন খুবই ঠান্ডা ছিল। আজ রোদ দেখা যাচ্ছে। তাই রোদের মধ্যে আরামে কাজ করিতে পারছি। 

আরেক কৃষক বলেন, ইরি ধান গাড়ার বেছনগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছিলো। আজ রোদ উঠার পর মনে স্বস্তি ফিরছে।

রংপুর আবহাওয়া কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কুয়াশা আর মেঘের পরিমাণ কমে যাওয়ায় আজ বুধবার সকালে ঝলমলে রোদের দেখা মিলেছে। এতে টানা পাঁচ দিনের হাড়কাঁপানো শীতের কষ্ট কিছুটা হলেও কমেছে। জনমনে স্বস্তি ফিরেছে। আগামি তিনদিন এই আবহাওয়া থাকতে পারে। 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত