রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নিলি (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বনশ্রীর ১০তলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা হবিগঞ্জের লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজিব মিয়ার মেয়ে।
পুলিশের ধারণা, ওই বাসায় চুরি করতে এসে তাকে শ^াসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে ঘাতক। পরে গলা কেটে কিশোরীর মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিহত কিশোরদের হোটেলের কর্মচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ বনশ্রী মেইন রোডের এল ব্লকের ২/১ নম্বর প্রীতম ভিলায় ভাড়া থাকেন তারা। বাসার উল্টোপাশে তাদের একটি খাবারের হোটেল রয়েছে। কদিন আগে নিহতের বাবা-মা শীতে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেছেন। ঘটনার সময় নিহত ফাতেমার বড়বোনও বাইরে ছিলেন। বাসায় ফিরে ছোট বোনের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন।
ঢাকার খিলগাঁও থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গের পাঠানো হয়েছে।
কুড়িগ্রামে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা : কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নে চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নাম পরিচয় জানা যায়নি। গতকাল শনিবার সকালে ইউনিয়নের কাচ্চির ফারাজি পাড়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে ওই যুবক ফারাজি পাড়া এলাকায় চুরি করতে আসে বলে সন্দেহ করা হয়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে ধরে ফেলেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ওসি জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
