চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটকের পর জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে আটকের কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর পৌর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত শামসুজ্জামান ডাবলু জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগর পৌর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় বিএনপি নেতা শামসুজ্জামানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে আটক করে। পরে তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জীবননগর থানার পুলিশ শামসুজ্জামানের মরদেহের সুরতহাল করেছে। ডাবলুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার দাবি করা হলেও পুলিশ বলছে এখনও মামলা রেকর্ড করা হয়নি।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শামসুজ্জামানের মৃত্যুর পর সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান তাকে বিস্তারিত অবহিত করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযান চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শামসুজ্জামান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, অভিযানের নামে সেনাবাহিনী বেছে বেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অস্ত্র উদ্ধারের নামে নির্যাতন করার পরও যখন অস্ত্রশস্ত্র পায় না, লাঠিসোঁটা, এটা ওটা দিয়ে চালান দেয়। সেই নির্যাতনের মাত্রা এতটাই বেশি যে সহ্য করতে না পেরে শামসুজ্জামান ডাবলু মারা গেছেন।
