বিএনপির ঘাঁটিতে ভাগ বসাতে চায় জামায়াত

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১২ এএম

প্রতীক নিয়ে প্রচার এখনো শুরু হয়নি। তার আগেই রাজশাহীর পথে-ঘাটে নির্বাচনী আমেজ। এখানকার ৬টি আসনের সবকটিতেই আলোচনায় বড় দুই দলের প্রার্থীরা। প্রচারের পাল্লায় বিএনপি এবং জামায়াতের প্রার্থীই প্রধান আলোচনায়। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে এখানকার ৬ আসনে ১৯ জনকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে বিএনপি এবং জামায়াতের ১২ প্রার্থীরই মনোনয়ন বৈধ হয়।

রাজশাহীর সব আসনেই বিএনপির আধিপত্য বেশ পুরনো। তবে, ২০০৮ সালের পর এখানকার কোনো আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা এমপি হতে পারেন নি। টানা চারবার এসব আসন ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের দখলে। এর মধ্যে তিনটি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপি আবারও তাদের সব আসন পুনরুদ্ধারের আশা নিয়ে কাজ করছে। অন্যদিকে তাদের সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আভাস দিচ্ছে জামায়াত। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এখানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া আর কোনো নির্বাচনেই এখানকার আসনগুলোয় জামায়াতের কোনো নেতা বিজয়ী হতে পারেন নি। এবার তারা ভাগ বসানোর আশা করছেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যে কয়েকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে তার বেশিরভাগ সময়েই রাজশাহীর আসনগুলোতে আধিপত্য ছিল বিএনপিদলীয় প্রার্থীদের। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও রাজশাহীর ৫টি আসনের সবকটিতেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপিদলীয় প্রার্থীরা। ২০০১ সালের নির্বাচনেও সবকটি আসন পায় বিএনপি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এখানকার আসন সংখ্যা ৫ থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৬টি। এই সময় থেকে সবশেষ ৪টি নির্বাচনে রাজশাহীর সবকটি আসন নিজেদের দখলে নেয় আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোট। তবে, সারা দেশের মতো এখানকার আসনগুলোর সবশেষ ৩টি নির্বাচনকে বিতর্কিত হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। এবারের নির্বাচন হচ্ছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। পরপর চারবারের সংসদ সদস্যরা কেউই এখন জনসম্মুখে নেই। এমন বাস্তবতায় রাজশাহীর ৬টি আসনের সবখানেই প্রচারে মাঠ সরগরম করে রেখেছে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীরা। দুই দলের প্রার্থীরাই নিজেদের অবস্থান জানান দিতে নানা কর্মসূচি পালন করছেন। ভোটারদের আস্থা অর্জনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তুলে ধরছেন নিজেদের উন্নয়ন ভাবনা। বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের নেতারাই রাজশাহীতে নিজেদের ঘাঁটি হিসেবে দাবি করছেন। মাঠের চিত্র দেখে ভোটাররা অনেকটাই নিশ্চিত এখানকার সবগুলো আসনেই জমজমাট লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে। এখন দেখার বিষয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা কতটা শক্ত হয়।

গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-১ আসনে তিনজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান। ২০০৮ সালের পর এই আসনটি আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমপি হলেও এর আগের ৫টি নির্বাচনে এখানে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হন। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ এর সবগুলো নির্বাচনেই এই আসনে এমপি ছিলেন বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক। তিনি একাধিকবার প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপির ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত এ আসনে এবারে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দিনকে। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই হওয়ায় কর্মী সমর্থকদের কাছে শরীফের পরিচিতি আনতে বাড়তি বেগ পেতে হচ্ছে না।

তবে, এই আসনে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়ছেন জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী দলের সিনিয়র নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৮৬ সালে এ আসনের এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছাড়া আর কোনো জামায়াত নেতা রাজশাহীর কোনো আসন থেকে বিজয়ী হতে পারেন নি। এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াইয়ের আভাস মাঠে মাঠে। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন ।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম। এই আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে এই আসন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশন বিএনপির দখলে থাকলেও ২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পর পর তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী ফজলে হেসেন বাদশা। সবশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে জোটের প্রার্থী ফজলে হেসেন বাদশাকে হারিয়ে দেন আওয়ামী লীগের ‘ডামি’ প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা। এ আসনে এবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু। তিনি এ আসনের সাবেক এমপিও। রাজশাহী সিটি করপোরেশনে প্রায় ১৭ বছর মেয়র ছিলেন মিনু। সেই সুবাদে এখানকার ভোটারদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি তার। বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও সব থেকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তাকেই গণ্য করা হয়। তাকে মনোনয়ন ঘোষণার পর রাজশাহীর নেতাকর্মীরা মিনুর পক্ষে একাট্টা হয়েছেন। এর আগে দলের মধ্যে যে বিভক্তি ছিল মিজানুর রহমান মিনুর মনোনয়ন পাওয়ায় সবাইকে এক কাতারে এনেছে। ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির নেতারা। শহর জুড়ে মিনুর পক্ষে মাঠে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সাধারণ ভোটারদের মন্তব্য, এসব মিলিয়ে শক্ত অবস্থানেই আছেন মিনু। তবে এই আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরও নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় বিভিন্ন ফোরাম ছাড়াও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন জামায়াতের নেতারা। এখানে জামায়াতের কোনো নেতা এমপি বা মেয়র না হতে পারলেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাদের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত একাধিক সিটি করপোরেশন ও সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতা কর্মীরা বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন চারদলীয় জোটের কর্মী হিসেবে। সেদিক থেকে তারা এবারে তাদের একক সক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করবেন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৬৪ জন।

পবা ও মোহনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এই আসনে এবারের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। বিগত চারদলীয় জোটের সময়কার নির্বাচনে এখানে দুই দল এক হয়ে ভোট করলেও এবারে দুই পক্ষই নিজেদের শক্তি দেখানোর চেষ্টা করছেন।

বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন দীর্ঘদিন ধরে পবা ও মোহনপুরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তিনি এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রার্থী বদলের দাবিতে মাঠে নামেন কিছু নেতাকর্মী। লাগাতার বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করছেন তারা। তবে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এখানে মাঠপর্যায়ে কাজ করায় শফিকুল হক মিলনের অবস্থান শক্ত। সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যেও মিলন এরই মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে প্রতিদিনই মাঠের কর্মসূচি পালন করে চলেছেন। এমন প্রেক্ষিতে তার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন। অনেকে এরই মধ্যে মিলনের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ ভোটের মাঠে বেশ সক্রিয় আছেন। তিনি গত ২৭ বছর ধরে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এবারে তিনি এমপি প্রার্থী হয়েছেন। জামায়াত নেতারা এই আসনে ভালো ফলের আশা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৮ জন।

শুধু বাগমারা উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের ডা. আব্দুল বারী বৈধ প্রার্থী। এই আসনেও দুই পক্ষের শক্ত লড়াইয়ের আশা স্থানীয়দের। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়াকে প্রার্থী ঘোষণার পর বড় একটি অংশ তার বিপক্ষে সরাসরি অংশ নেন। তবে, সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দূরত্ব কমেছে। মনোনয়ন ঘোষণার পরও নেতাকর্মীদের একটি অংশ জিয়াউর রহমানের কাছে যাননি। প্রার্থী বদলের দাবিতে উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কিছু নেতা লিখিতভাবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে আবেদনও করেন। নেতাকর্মীরা অভিযোগ, মনোনয়ন ঘোষণার পরই জিয়ার অনুসারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অনুসারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও করেন তারা। তবে, শেষ পর্যন্ত এখানে বিএনপির কোনো নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হননি। বরং সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী পক্ষের অনেক নেতা কর্মীই তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবদুল বারী সরদার ব্যক্তি ইমেজ দিয়ে মাঠ দখলের চেষ্টা করছেন। সাংগঠনিকভাবেও জামায়াত আগের থেকে এখন অনেকটাই মজবুত অবস্থান তৈরি করেছে বলে দলের কর্মীরা দাবি করছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন।

পুঠিয়া-দুর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নজরুল ইসলাম ম-ল ও জামায়াতের মনজুর রহমান দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। এছাড়াও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য  প্রার্থী খাইরুল হক শিমুল। সব শেষ ১১ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি একবার, বিএনপি চারবার এবং আওয়ামী লীগ ছয়বার জয় পেয়েছে এই আসনে। এরমধ্যে সবশেষ তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয় পান। এই আসনে বিএনপির তিনবারের এমপি ব্যাপক জনপ্রিয় নাদিম মোস্তফা গত বছর মারা যান। এবারের নির্বাচনে নজরুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পরও প্রার্থী বদলের জন্য দুই উপজেলায় বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মহাসড়ক অবরোধ হয়েছে। এখন বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থী থাকায় ভোটের মাঠ বেশ জমজমাট। দলীয় কর্মীর বাইরে থাকা ভোটারদের কাছে টানতে ব্যস্ত দুই নেতা ও তাদের অনুসারীরা। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩১৭৩ জন।

চারঘাট ও বাঘা আসন নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজ ভোটের মাঠে প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

সব শেষ ১১টি নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টি দুবার, বিএনপি চারবার ও আওয়ামী লীগ পাঁচবার জয় পায়। সবশেষ তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে এখান থেকে জয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহরিয়ার আলম। এবার এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। আওয়ামী আমলে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সারা দেশে হয়েছিল ২৮টি মামলা। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের পুরো সময়ে তার বিরুদ্ধে মোট ১০২টি মামলা হয়েছিল। তাই চাঁদ মনোনয়ন পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মাঠে নামেননি। বরং তার সঙ্গেই স্থানীয় বিএনপি। এই আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৪ জন ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত