বুলাওয়োতে যুব বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ ছাপ রাখল বাংলাদেশের পেস আক্রমণ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে লাল-সবুজের হয়ে আলো কেড়ে নিলেন তরুণ পেসার আল ফাহাদ। ধারালো ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইনিংস শুরু হয় উচ্ছ্বাসের সঙ্গে, কিন্তু ৩৯ ওভারের পর বৃষ্টির হানা দেয়। তখন ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৯২। ৭ম উইকেটে ১৯ বলে ১৯ রানের জুটি গড়ে তখন শেষ ১১ ওভারে দ্রুত রান তোলার মিশনে নামতে হতো অপরাজিত ব্যাটসম্যান অভিজ্ঞান কুন্ডু (৬৩*) ও আর এস আমব্রিশকে (৪*)। প্রায় ঘণ্টাখানেকের বৃষ্টিবিরতির কারণে ম্যাচে এক ওভার কেটে যায়। শেষ ১০ ওভারে ভারত হারায় ৪ উইকেট এবং তুলতে পারে মাত্র ৪৬ রান।
ভারতের ইনিংসকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—বৈভব সূর্যবংশীর আগে এবং পরে। ওপেনার সূর্যবংশী ৬৭ বলে ৭২ রান করে দলকে শক্ত ভিত্তি দেন। পাঁচে নামা কুন্ডু তার দায়িত্ব তুলে নেন এবং কনিস্ক চৌহানের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়ে দলের রান আরও এগিয়ে নেন। ভারতের অন্য ব্যাটসম্যানদের জন্য বাংলাদেশের বোলাররা সহজ লক্ষ্য রাখেননি। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে আয়ুশ মাত্র ৬, বেদান্ত ত্রিবেদী শূন্য এবং বিহান মালহোত্র ৭ রান করে ফেরেন। বেদান্ত ও আয়ুশের উইকেট নেন আল ফাহাদ, আর বিহানের উইকেট তুলে নেন আজিজুল হাকিম।
শেষ ১০ ওভার বাংলাদেশ বোলিংয়ে দাপট দেখায়। প্রথম ওভারে শেখ পারভেজ ফেরান আমব্রিশকে। পরবর্তী ছয় ওভারে ভারত মাত্র একটি বাউন্ডারি মারতে পারে। আল ফাহাদের নখরশা বল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাওয়ারপ্লের মধ্যে দুটি উইকেট নেয়ার পর বৃষ্টি বিরতির পর ফের মাঠে এসে ডেথ ওভারে আরও তিনটি উইকেট তুলে নেন। তার সমগ্র ফিগার দাঁড়ায় ৫ উইকেট ৩৮ রান।
অপর দুই বোলারও অবদান রেখেছেন—ইকবাল হোসেন এবং আজিজুল হাকিম ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ভারতের শেষ ব্যাটসম্যানদের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের পেস আক্রমণ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হাতে নিয়েছে।
ইনিংসের শেষভাগে দীপেশের কিছু আক্রমণাত্মক শটে ভারত বাড়তি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রান তুলতে পারে।
কিংবদন্তীদের সামনে নায়ক হয়ে ফিরলেন আরেক কিংবদন্তী