সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে এবং অনতিবিলম্বে নির্বাচন বাস্তবায়নের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাকসুর নেতৃবৃন্দ।
আজকের কর্মসূচিতে বিএনপি শাকসু নির্বাচন স্থগিতের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল।
তিনি বলেন, ‘আজকে শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম দুই-তিন ধরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ ঢাকার সেই টোকাই-সন্ত্রাসী ও ভাড়ায় খাটা গোন্ডাদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে মব করে হাসিনা যে কায়দায় কোর্টকে ব্যবহার করতেন, সেই কায়দায় তারেক রহমান কোর্টকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করলেন।
শাকসু শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকারে নগ্ন হস্তক্ষেপ করার মধ্য দিয়ে এটি প্রমাণিত হয়েছে বিএনপি নতুন করে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। একটি দলের পারপাস সার্ভ করতে গিয়ে নয় হাজার শিক্ষার্থীর আশা-আকাক্সক্ষার শাকসুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছে।’
মুজাহিদ ফয়সাল আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগেই শাকসু নির্বাচন দিতে হবে। এরপরেও যদি তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়, তাহলে শুধু শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নন, সারাদেশের গণতন্ত্রকামী শিক্ষার্থীরা তাদের পাশে আছি। সর্বদা তাদের পাশে থাকব।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘হাইকোর্টকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে নব্য ফ্যাসিস্টরা প্রমাণ করে দিয়েছে, তারা আবার নব্য ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চায়। সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ বুঝে গিয়েছে এই নির্বাচনগুলো কারা পেছাতে চায়।
কারা হারার ভয়ে খেলা থেকে বিরত থাকতে চায়। এই দেশে কারা নব্য ফ্যাসিবাদের জন্ম দিতে চায়। আমরা বলে দিতে চাই, এই নির্বাচনগুলো পেছানোর ষড়যন্ত্রে আপনারা প্রথম থেকেই লেগে ছিলেন। এই ছাত্রসংসদ নির্বাচনগুলো বারবার পেছানোর ষড়যন্ত্র করেও আপনারা সফল হতে পারেন নাই।’
