ভোলার মনপুরা ও লালমোহন উপজেলায় সংঘটিত পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মনপুরা উপজেলার গণধর্ষণ মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. ইদ্রিস মাঝি এবং লালমোহন উপজেলার শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. জামাল।
র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট রিফাত বুধবার (২১ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ বরিশালের আওতাধীন ভোলা ক্যাম্পের একটি দল বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমউদ্দিন লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ইদ্রিস মাঝিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোরহানউদ্দিন থানায় হস্তান্তর করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে ইদ্রিস মাঝিসহ অন্যান্য আসামিরা মিলিতভাবে মনপুরা উপজেলায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে একই দিন ভোর রাতে র্যাব ভোলা ক্যাম্পের একটি দল লালমোহন উপজেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে লালমোহন উপজেলার চরভুতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লালমোহন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেপ্তার জামাল গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে এক শিশুকে যৌন নির্যাতন করে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
