অনেকেই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগেন। বাইরের খাবার বা জাঙ্ক ফুড (ঔঁহশ ভড়ড়ফ) যত খাবেন, ততই রোগ জাঁকিয়ে বসবে। তাই বাইরের খাবার এড়িয়ে, চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসের বিশেষ যতœ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে কিছু সবজি আছে, যাতে পিউরিনের পরিমাণ বেশি থাকে এবং এগুলো ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
ফুলকপিতে মাঝারি পরিমাণে পিউরিন থাকে, তবে এটি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। ভিটামিন সি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, তবে যদি আপনার ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকে, তাহলে পরিমাণে কম খাওয়া উচিত। বেগুনে পিউরিনের পরিমাণ মাঝারি, তবে এটি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। বেগুন সাধারণত স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়, তবে ইউরিক অ্যাসিড রোগীদের সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যদিও মাশরুম প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস, ইউরিক অ্যাসিড রোগীদের এগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। পালং শাক পুষ্টিকর সবজি, যা আয়রন, ভিটামিন সি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। তবে এতে উচ্চ পরিমাণে পিউরিনও রয়েছে। যারা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের সীমিত পরিমাণে পালং শাক খাওয়া উচিত। বেশি পরিমাণে পালং শাক খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। কিছু বিষয় মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। বেশি পানি পান করলে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড দূর হয়, তাই দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান এবং নিয়মিত চেক-আপ করান।
