ইংলিশ তারকা হ্যারি কেনের জোড়া গোলে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। বেলজিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইউনিয়ন সাঁ-জিলোয়াজের বিপক্ষে ২-০ গোলের স্বস্তির জয় তুলে নেয় জার্মান ক্লাবটি। এই ব্যবধান আরও বাড়তে পারত, যদিন না কেইন একটা পেনাল্টি মিস না করতেন।
এই জয়ের ফলে ৭ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে তারা এখন ৩ পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে, শীর্ষ আটের বাইরে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে বায়ার্নের পয়েন্ট ব্যবধান পাঁচ। ম্যাচের প্রথমার্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলে অতিথি দল ইউনিয়ন সাঁ-জিলোয়াজ। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই প্রতিরোধ ভাঙেন কেইন।
মাইকেল ওলিসের কর্নার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইংলিশ তারকা। এর তিন মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি থেকে হ্যারি কেইন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তার ২৯ ম্যাচে ৩৫তম গোল। ৬০ মিনিটের কিছু পর ডিফেন্ডার কিম মিন-জে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বায়ার্ন। তবে প্রতিপক্ষ এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।
এক জন কম নিয়েও বায়ার্ন তৃতীয় গোলের বেশি কাছাকাছি ছিল। দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকে কেইনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে, আর কাছ থেকে মাইকেল ওলিসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচ শেষে পেনাল্টি মিস প্রসঙ্গে কেইন বলেন, ‘দ্রুত শট নিতে গিয়ে বলের ওপর একটু বেশি জোর পড়ে গেছে। মানুষ ধরে নেয় আমি সব সময় পেনাল্টি করব, কিন্তু আমি প্রতিটি মিস থেকেও শিখি। এই মিসটা হয়তো এই মৌসুমে ১০টি সফল পেনাল্টির চেয়েও আমাকে বেশি শেখাবে।’
এই জয়ের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ঘরের মাঠে টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রাখল বায়ার্ন মিউনিখ। ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় তাদের সর্বশেষ ঘরের মাঠে হার ছিল ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে, ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত বায়ার্নের একমাত্র হারটি এসেছে নভেম্বর মাসে আর্সেনালের মাঠে। দলের অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কেইন বলেন, ‘এমন একটি বড় ক্লাবে খেলতে পারা দারুণ অনুভূতি। আমরা সবাই একসঙ্গে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। মাঠে ও মাঠের বাইরে সবাই একই দিকে এগোচ্ছি।’
সালাহর প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বসিত স্লট, মার্সেইয়ে লিভারপুলের গুরুত্বপূর্ণ জয়
৯৬০তম গোল করে ম্যাচ জেতালেন রোনালদো