জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর রাজশাহীতে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচার শুরু হয়েছে। এখানকার সবকটি আসনেই বইছে ভোটের হাওয়া। এক দিনের ব্যবধানেই রাজশাহীর পথঘাট ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুনে।
রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতের হাই-প্রোফাইল প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। দলের এ শীর্ষ নেতাকে নিয়ে বেশ তৎপর স্থানীয় নেতাকর্মীরা। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন। দুই প্রার্থীই গতকাল শুক্রবার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে লিফলেট বিতরণ করে ভোট চেয়েছেন। রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির হাই-ভোল্টেজ প্রার্থী রয়েছেন। এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। তিনি প্রায় ১৭ বছর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন। সেই সঙ্গে ২০০১ সালের নির্বাচনে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন। দলীয় নেতাকর্মীরা মিনুর পক্ষে শহর জুড়ে প্রচারণায় ব্যস্ত। শহর জুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর তুলনামূলক নতুন মুখ। তবে দলের নেতাকর্মীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার পক্ষেও বিপুলসংখ্যক ব্যানার-ফেস্টুন টানানো হয়েছে। দুই প্রার্থীরই পক্ষে চলছে মিছিল, মাইকিং।
রাজশাহী-৩ আসনেও মূলত ভোটযুদ্ধে রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী। গতকাল সকালে পবা-মোহনপুর আসনে গণসংযোগ করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। সকাল থেকে কাটাখালী পৌর এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি। এর আগে তিনি কাপাসিয়া সরদারপাড়া গোরস্তানে কবর জিয়ারত করেন। এদিন উপজেলার হরিপুর ও দামকুড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার কার্যক্রম চালান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। গণসংযোগকালে প্রতীকের পক্ষে মিছিল হয়। এ সময় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ ও মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।
