স্বপ্নের মতো বিপিএল কাটালেন পেসার শরীফুল ইসলাম। ১২ ইনিংসে ওভারপ্রতি ৫.৮৪ করে রান দিয়ে শিকার করেছেন ২৬ উইকেট, যা বিপিএলের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের কীর্তি। সেইসঙ্গে জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। এই দুই পুরস্কার আর রেকর্ড গড়েও হতাশ তরুণ পেসার। কারণ, তার দল চট্টগ্রাম রয়্যালস শিরোপা জিততে পারেনি।
গতকাল শুক্রবারের ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে ৬৩ রানে হেরে গেছে চট্টগ্রাম। ফাইনালে ২ উইকেট নিয়ে বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ডে তাসকিনকে পেছনে ফেলেন শরীফুল। গত আসরে তাসকিন ২৫ উইকেট নিয়েছিলেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল বলেন, ‘ভালো লাগছে, কিন্তু আমরা যদি চ্যাম্পিয়ন হতাম, অনেক বেশি ভালো লাগত। প্রতিটি খেলোয়াড়ই চায় যে চ্যাম্পিয়নশিপটা তাদের হাতে উঠুক।’
টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে সরে দাঁড়ায় চট্টগ্রামের মালিকপক্ষ। বাধ্য হয়ে দলের দায়িত্ব নেয় বিসিবি। তাই বিসিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শরীফুল, ‘বিশেষ করে ধন্যবাদ দেব বিসিবিকে। উনারা যখন দলটার দায়িত্ব নিয়েছে, তখন আমাদের খেলোয়াড়রা যেটা সবসময় বিপিএলে অনেক দলের ক্ষেত্রে হয় যে একটা চিন্তা থাকে পেমেন্ট ইস্যুতে… যখন বিসিবি হাতে নিয়েছে তখন আমরা সবাই খুবই নির্ভার ছিলাম এবং আমরা নিজের দলের মতো করে খেলেছি। মনে করেছি যে, আমাদের নিজের গড়া দল। আমরা ওই ভাবেই প্রতিটা অনুশীলন সেশন বলেন, ম্যাচ বলেন সবসময় এরকম।’
এই প্রথম বিপিএলে ‘প্লেয়ার অব দা টুর্নামেন্ট’ হলেন কোনো বিশেষজ্ঞ বোলার। শরিফুলের আশা, তার দেখানো পথে এভাবেই উঠে আসবেন আরও বোলার, ‘ভালো লাগছে, এবার হয়তো আমিই হয়েছি বোলার হিসেবে ম্যান অব দা টুর্নামেন্ট। পরের বছরও হয়তো বা আরেকজন হবে। এখন দেখা যাচ্ছে যে বিপিএলে আমি সবশেষ কয়েকবার দেখেছি যে বোলাররা ভালো লড়াই করছে, গত বছর যেমন তাসকিন ভাই । সামনে আরও বোলাররা ভালো আধিপত্য দেখাবে আশা করি।’
গত এক-দেড় বছর ধরে ক্রিকেট ব্যাহত হচ্ছে: শান্ত
বোতল ছোড়ার ঘটনায় চেলসির দেড় লাখ পাউন্ড জরিমানা