সেন্টমার্টিনে দুই দিনের বিচ ক্লিনিং, ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। এসময় প্রায় ২শ বস্তায় ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিচ ক্লিনিংয়ের কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিনের ভার্চুয়াল বক্তব্য ও প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসানের পরিবেশ রক্ষার শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সরকার প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে।  এ কার্যক্রম প্রতিবছর চালু রাখার মাধ্যমে মানুষকে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা এবং পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিবেশ সচেতনতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলতে থাকবে।

শপথ পাঠের আগে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান তার বক্তব্যে বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে দেশের সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি, ইউডিপি-ব্র্যাক সেন্টমার্টিন প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রকল্পের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন  প্রাণ-আরএফএলের অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া দ্বীপের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক সৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন  কর্মসূচিতে অংশ নেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত