ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে একেএম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার বর্তুল গ্রামের বাসিন্দা। বিজয়ী হওয়ায় পর হাট-বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফজলুল হক মিলনকে নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসাবে দেখার জোর দাবি জানায়।
তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বাবলু বলেন, ফজলুল হক মিলন ভাই একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। তিনি মন্ত্রী হলে মন্ত্রিসভাকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারবেন। দেশ নায়ক তারেক রহমানের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি মিলন ভাইকে মন্ত্রিসভায় রাখা হোক।
শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ হারুনুর রশিদ বলেন, একেএম ফজলুল হক মিলন ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো নেতার অন্যতম একজন। কেন্দ্রীয় এই নেতা হাসিনা সরকারের আমলে ১১ বার কারাগারে গিয়েছেন। তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মা মৃত্যুবরণ করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় মিলনের স্ত্রী শম্পা হক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মিছিল সভা করে ৪ বার আওয়ামী লীগের আক্রমণে আহত হন। সরকারের মন্ত্রী সভায় স্থান দিলে তার অভিজ্ঞতা দিয়ে মন্ত্রী পরিষদে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির উদ্দিন পাঠান (মিঠু) বলেন, রাজধানীর পাশের জেলা গাজীপুর। সব সরকারের আমলেই এ জেলায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হয়ে থাকেন। একেএম ফজলুল হক মিলন বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী সভায় স্থান দিলে তার অভিজ্ঞতা দিয়ে মন্ত্রী পরিষদে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফর রহমান বলেন, একেএম ফজলুল হক মিলন শিক্ষাযোগ্যতায় ও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক বিজ্ঞ একজন মানুষ। তাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী করা হলে দেশ ও জাতীর উন্নতি হবে।
কালিগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নোমান বলেন, বিপুল ভোটে বিজয়ী একেএম ফজলুল হক মিলন গাজীপুরে বয়োজেষ্ঠ পরিচ্ছন্ন ও পরিক্ষিত রাজনীতিবিদ। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা বিএনপিকে আগলে রেখেছিলেন। তার মতো একজন সৎ, দক্ষ, পরিক্ষিত ও যোগ্য নেতাকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।
গাজীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. খায়রুল আহসান মিন্টু বলেন, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা বিএনপির আহবায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়ীয়া) আসনের মানুষ বিজয়ী এই সংসদ সদস্যকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চাই।
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান লাভলু বলেন, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরের একমাত্র বিএনপির এমপি ছিলেন ফজলুল হক মিলন। কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ সরকার একাধিকবার প্রতিমন্ত্রী দিয়েছেন। তাই বিএনপির নির্যাতিত কেন্দ্রীয় নেতা একেএম ফজলুল হক মিলনকে বিএনপি সরকারের প্রথম একজনকে মন্ত্রী পরিষদে চায় কালীগঞ্জের মানুষ।
গাজীপুর জেলা আঞ্জুমানে রহমানীয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নতুন সরকারের যে মন্ত্রী সভা করা হবে সেখানে একেএম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসাবে রাখার জোর দাবি জানান।
কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ফজলুল হক মিলন শিক্ষা, যোগ্যতায় ও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক বিজ্ঞ একজন মানুষ। তাকে মন্ত্রী করা হলে দেশ ও জাতীর উন্নতি হবে।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বিএনপির নীতি নির্ধারকদের কাছে দাবি জানান, ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসাবে দেখা গাজীপুর-৫ আসনের জনগণের একটি দাবি।
কালিগঞ্জ থানার প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন বলেন, গাজীপুর জেলাকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় রাজধানী বলা হয়। গাজীপুরে বিশাল ভৌগলিক এরিয়ায় ফজলুল হক মিলন এর আগেও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তাকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন আমাদের প্রাণের দাবি।
কালিগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সভাপতি আব্দুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, বর্তমান গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তার মতো গাজীপুর জেলার মধ্যে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ সংসদ সদস্য হিসেবে নেই । তিনি আওয়ামী আমলে গাজীপুর জেলা বিএনপিকে আগলে রেখেছিলেন। তার মতো একজন মানুষকে মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।
নির্বাচনে ২১ শতাংশ জাল ভোটের তথ্যটি সঠিক নয়: টিআইবি
সব কাজই গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জের