গত ৭২ ঘণ্টার দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে উত্তর লন্ডনের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে শীর্ষের আর্সেনাল। এই বিধ্বংসী জয়ের পর গানার কোচ মিকেল আর্তেতা একে একটি "মানসিক মুক্তি" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই জয়ের ফলে ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৫ পয়েন্টের ব্যবধান পুন:প্রতিষ্ঠা করলো আর্সেনাল। ম্যাচে আর্সেনালের হয়ে জোড়া গোল করেছেন এবেরেচি এজে এবং ভিক্টর গিয়োকেরেস।
গত বুধবার তলানির দল উলভসের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ২-২ ড্র করে শিরোপার ভাগ্য ম্যান সিটির হাতে তুলে দিয়েছিল আর্সেনাল। সেই হতাশাজনক ড্রয়ের পর খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে চাঙ্গা করা ছিল আর্তেতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
ম্যাচ শেষে আর্তেতা তাউ বলেন, "আমি গত ৭২ ঘণ্টা আমাদের খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থা দেখে অত্যন্ত গর্বিত। উলভসের বিপক্ষে ড্রয়ের কোনো ব্যাখ্যা আমার কাছে ছিল না। রাগান্বিত, লজ্জিত এবং বিমর্ষ অবস্থা থেকে নিজেদের টেনে তোলা সহজ ছিল না। কিন্তু আজ আমরা মাঠে যা করেছি তা অসাধারণ।"
১৯৭৮ সালের পর টটেনহ্যামের মাঠে এটিই আর্সেনালের সবচেয়ে বড় জয়। ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমের পর এবারই প্রথম একই মৌসুমে টটেনহ্যামকে দুবার ৩ বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে হারাল গানাররা (গত নভেম্বরেও ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল আর্সেনাল)।
টটেনহ্যামের সংকট: রেলিগেশনের হাতছানি
টটেনহ্যামের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ইগর টিউডরের জন্য প্রিমিয়ার লিগে অভিষেকটা হল অত্যন্ত লজ্জাজনক। টমাস ফ্রাঙ্কের বিদায়ের পর দায়িত্ব নেওয়া টুডর এখন দল নিয়ে রেলিগেশনের শঙ্কায় ভুগছেন। রেলিগেশন জোন থেকে মাত্র ৪ পয়েন্ট উপরে রয়েছে স্পার্সরা। টিউডর ম্যাচের পর অকপটে স্বীকার করেন, "আর্সেনাল বিশ্বের অন্যতম সেরা দল, তাদের সাথে আমাদের ব্যবধানটা আজ স্পষ্ট ছিল। আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকট। এখন আমাদের আয়নায় নিজেদের মুখ দেখতে হবে এবং অভ্যাস পরিবর্তনের চেষ্টা করতে হবে।"
