বাসায় রান্না ঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার লিটন কুমার পালিত। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেওয়া হচ্ছে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।
চমক হাসপাতাল বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার লিটন কুমার পালিত জানান, সোমবার ভোরে বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার পর তিন শিশুসহ ৯ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জন হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), উম্মে আইমন (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ও রানী আক্তার (৪০)।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকেরা জানান, দগ্ধদের মধ্যে পাখি আক্তার, শাখাওয়াত হোসেন ও রানী আক্তারের শ্বাসনালির শতভাগ পুড়ে গেছে। মো. শিপনের শ্বাসনালির ৮০ শতাংশ পুড়েছে। মো. সুমন ও মো. শাওনের পুড়েছে ৪৫ শতাংশ। তিন শিশু মো. আনাস, উম্মে আইমন ও আয়েশা আক্তারের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
আজ ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের এসি মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণের এই ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় না। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্যাসের সংযোগ রয়েছে। কোনো কারণে চুলা থেকে হয়তো গ্যাস লিক হয়েছিল, যে কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায়। সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে সবাই দগ্ধ হয়েছেন।’
