বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ছাড়াল ২৯ বিলিয়ন ডলার

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫১ এএম

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে এখন ৩৪ হাজার ৮৬২ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি বছরের শুরুতে গেল জানুয়ারিতে দেশে ৩১৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনার ফলে রিজার্ভের এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার কারণেই বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে ডলার কেনা সহজ হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১০৭ দশমিক ৮২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার।

নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে ৩১৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে এ যাবৎকালের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এই পরিমাণ আয় ২০২৫ সালের একই মাসের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। গত বছরের জানুয়ারিতে ২১৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ডলারের দর যেন আকস্মিকভাবে কমে না যায়, সেজন্যই নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে ডলার দরও পড়ে যাচ্ছে না আবার রিজার্ভও বাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত