শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছাত্র সংসদের নেতারা

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ এএম

কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ ও সেক্রেটারিয়েট গঠন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। গত মঙ্গলবার  রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের প্রথম সাধারণ অধিবেশনে ২০২৬ সেশনের নেতা নির্বাচন করা হয়।

কমিটির তালিকা ঘেঁটে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন করা হয়েছে। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক, জিএস এসএম ফরহাদকে প্রচার সম্পাদক, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদকে সমাজসেবা সম্পাদক, জকসুর রিয়াজুল ইসলামকে প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক করা হয়েছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় কার্যকরি পরিষদের সদস্য করা হয়েছে ইব্রাহিম হোসেন রনিকে।

প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শিবিরের ১২৩তম শহীদ রেজবুল হক প্লাবনের  পিতা মো. আজাদুল ইসলাম।  সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

নেতারা জানান, ছাত্রশিবিরের সংবিধান অনুযায়ী সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ২০২৬ সেশনের জন্য ৪৭ জন কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করে আরও ১৫ জনকে কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেন। পরে তিনি কার্যকরী পরিষদের পরামর্শক্রমে কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট গঠন সম্পন্ন করেন।

কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, সংগঠনের সর্বস্তরে ইসলামি নীতির যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা, সংবিধানের আলোকে কর্মসূচি বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধান ও পর্যবেক্ষণ করা এবং সংগঠনের যেকোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করে তা দূরীকরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করা কার্যকরী পরিষদের অন্যতম দায়িত্ব।

কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, ‘আগামী দিনের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকরী পরিষদকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সংগঠনের জনশক্তিদের নৈতিক মান উন্নয়ন, আদর্শিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি এবং চারিত্রিক পবিত্রতা সংরক্ষণে নিবিড় তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জনশক্তিদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি, সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি গড়ে তোলা এবং তাদের দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত, দায়িত্বশীল ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত