তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অবস্থিত রাশিয়ান এবং ফ্রান্স দূতাবাস ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে আক্রমণ করেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ান দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভের বক্তব্য শেয়ার করে, যেখানে বলা হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের সমাধান কেবল কিয়েভের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। এছাড়া পেস্কভ উল্লেখ করেছেন যে, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহের প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের ভঙ্গ।
এর জবাবে ফ্রান্স দূতাবাস এক্সে লিখেছে, 'তিন দিনের যুদ্ধ বলে যাকে দেখা হয়েছিল, আমরা এখন তার পঞ্চম বছরে প্রবেশ করেছি' এবং রাশিয়া এখনও যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সের তত্ত্বাবধানকে হুমকি হিসেবে দেখছে।
ফ্রান্স দূতাবাসের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ান দূতাবাস বলেছে, 'ফ্রান্সের কূটনীতির অবশিষ্ট কিছু নেই, শুধু সামাজিক মাধ্যমে হতাশাজনক পোস্ট করা ছাড়া। ২০১৪ সাল থেকে কিয়েভের সরকারের অধীনে যে নাগরিকরা, নারী ও শিশুসহ নিহত হয়েছে, তার জন্য প্যারিসকে প্রধান সমর্থক হিসেবে মনে রাখতে হবে। সম্ভবত ১৮১২ সালের অতীত এখনও ফ্রান্সকে প্রভাবিত করছে।'
রাশিয়ার বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার পূর্বের তথ্যমতে, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সক্রিয়ভাবে কিয়েভকে পারমাণবিক বোমা সরবরাহের চেষ্টা করছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছিলেন, এটি শান্তি আলোচনার আগে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।
