ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর প্রতিবাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ‘প্রশাসনের গাফলতি’র জবাব চেয়ে প্রক্টর অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রক্টর অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ডাকসুর নেতারা। পরে প্রক্টরের সঙ্গে দেখা করে অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রক্টরকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।
এসময় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনটি এর আগেও নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে। তারা এর আগেও খুনি হাসিনার মোটিভ পুড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। শ্যাডোতে ব্যানার টানিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গেটে তালা লাগিয়েছিল। এর পেছনে অবশ্যই প্রশাসনের স্পষ্ট গাফিলতি রয়েছে।
আল্টিমেটাম জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রক্টরকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। এর মধ্যে অবশ্যই নির্ধারিত জায়গার সিসিটিভি ফুটেছে চেক করে যারা যারা এই প্রশ্নের সাজিয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে অবশ্যই আইনের আওতায় আনার বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে।
ছাত্রলীগকে কঠোর হুঁশিয়ার দিয়ে ডাকসু নেতা বলেন, আমরা ছাত্রলীগের কুলাঙ্গারদের জানিয়ে দিতে চাই- তোরা কান খুলে শুনে রাখ, রাতের অন্ধকারে চোরের মত এসে পোস্টার লাগিয়ে চলে যাও- যদি কোন সময় ধরতে পারি কুত্তার মত পেটাবো। একদম পায়ের গোড়ালি থেকে মাথার তালু পর্যন্ত পেটাবো। তোদের সঙ্গে কোনো আপস নেই। তোরা দুই হাজার মানুষ খুন করেছিস। যারা এত বড় একটা গণহত্যা সংগঠিত করার পরও, যাদের মধ্যে এতটুকু অনুশোচনা বোধ নাই। তাদেরকে আমরা মানুষই মনে করি না। তারা পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট।
প্রতিবার সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সদস্য শাহীনূর রহমানসহ ডাকসু ও হল সংসদের নেতারা।
