ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ নিয়ে ওই নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি মনোনীত চারজন প্রার্থী হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ (নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল) এ চার অভিযোগ শুনানির জন্য আমলে গ্রহণ করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনে মো. শরীফ উদ্দিন।
এ ছাড়া কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। অন্য আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মুক্তাদির রহমান। অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু দেশ রূপান্তরকে বলেন, আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই আসনগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণ, কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের এই আদেশটি যেন বিশেষ দূত বা বার্তাবাহকের মাধ্যমে ইসি ও রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়, সে বিষয়ে একটি আরজি জানিয়েছিলাম। আদালত সেটি মঞ্জুর করেছে।’ আবেদনগুলোর ওপর আগামী ৬ মে পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু।
ভোটে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গত রবিবার রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদন শুনানির জন্য কিছুদিন আগে হাইকোর্টের এই একক বেঞ্চকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল হিসেবে নির্ধারণ করেন প্রধান বিচারপতি।
