পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ৪ ঘণ্টা স্থবিরতা 

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

ফাল্গুনের মাঝামাঝিতেও ঘন কুয়াশার দাপট কমেনি। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে প্রায় ৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় মাঝ নদীতে তিনটি ফেরি আটকা পড়ে। দুই প্রান্তে শতাধিক যানবাহনও স্থবির হয়ে পড়ে, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী, চালক ও হেলপাররা।

ঘাট সূত্রে জানা যায়, ভোর পৌনে ৬টার দিবে দিকে নদীতে ঘন কুয়াশা নেমে আসে। দৃশ্যমানতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখে। কুয়াশা ঘনীভূত হওয়ায় মাঝপথে থাকা হাসনাহেনা, ভাষা শহীদ বরকত ও গোলাম মাওলা ফেরি মাঝনদী নোঙর করতে হয়। সকাল পৌনে ১০টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে এবং নদীপথে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বন্ধ থাকার সময় পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে মিলিয়ে একশতাধিক ছোট-বড় যানবাহন সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করে। যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রীরা দীর্ঘ সময় ঘাট এলাকায় অবস্থান করেন। অনেকে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে বিপাকে পড়েন। ি

চালকরা জানান, হঠাৎ ঘন কুয়াশায় নদীপথ অদৃশ্য হয়ে গেলে ঝুঁকি এড়াতে চলাচল বন্ধ রাখা ছাড়া বিকল্প ছিল না। বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাকচালকদের ভোগান্তি বেশি হয়, কারণ নির্ধারিত সময়ে মালামাল পৌঁছাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। 

প্রায় চার ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে যানবাহন পারাপার শুরু হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুস ছালাম জানান, বর্তমানে এ নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে ভোররাতে কুয়াশার প্রবণতা বেড়ে যায়। নিরাপত্তার স্বার্থেই সাময়িকভাবে ফেরি বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত পারাপারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত