বিয়ের পর বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন দক্ষিণী সিনে তারকাজুটি বিজয় ও রাশমিকা দম্পতি। উদয়পুরের রাজকীয় বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আজ বুধবার হায়দরাবাদে বসছে তাদের জমজমাট প্রীতিভোজের আসর। উদয়পুরের বিয়ের ছবি যেমন নেটদুনিয়ায় ঝড়ো গতিতে ভাইরাল হয়েছে, তেমনই রিসেপশন নিয়েও কৌতুহলের অন্ত নেই।
বলিউড থেকে শুরু করে দক্ষিণী পাঁচ ইন্ডাস্ট্রির মহাতারকাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও এই তালিকায় রয়েছেন। আজ হায়দরাবাদের রাস্তায় যানজট সামলাতে এবং তারকাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন। ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বিনোদন জগতের জৌলুস ছাপিয়ে বিজয় ও রাশমিকার এই জনহিতকর কাজ প্রমাণ করে দিল যে, তারা কেবল পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও সত্যিকারের আদর্শ দম্পতি। প্রীতিভোজের প্রস্তুতির মধ্যেই গত সোমবার এক অভাবনীয় ঘোষণা করলেন নবদম্পতি।
কোনো বিলাসবহুল উপহার নয়, বরং তেলেঙ্গানার কয়েক হাজার স্কুলপড়–য়ার ভবিষ্যতের দায়িত্ব নিলেন তারা। গত সোমবার হায়দরাবাদে নিজেদের নতুন বাসভবনে গৃহপ্রবেশের পুজোর পাশাপাশি বিজয়ের গ্রামের বাড়িতেও গিয়েছিলেন এই তারকাদম্পতি। সেখানে সাবেকি প্রথায় সত্যনারায়ণ পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। বিজয়ের মা ও ভাই আনন্দ বর্ধন দেবেরকোন্ডাও এই আনন্দ অনুষ্ঠানে শামিল হন।
পুজোর শেষে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বিজয় এক বিশেষ ঘোষণা করেন। বিজয়ের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দেবেরকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে তেলেঙ্গানার নাগরকুরনুল জেলার ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির পড়–য়াদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ বা বৃত্তির কথা জানানো হয়। এই উদ্যোগের কথা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাশমিকা।
গ্রামে ফিরে আপ্লুত বিজয় জানান, ‘এখানে আমার পৈতৃক ভিটে ও বেশ কিছুটা জমি রয়েছে। এখন থেকে মাঝেমধ্যেই আমি আর রাশমিকা এখানে সময় কাটাতে আসব।’ অভিনেতার এই মন্তব্যে অনুরাগীদের ধারণা, গ্রামীণ শিক্ষার প্রসারে বিজয় হয়তো আগামীতে আরও বড় কোনো পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। ইতিপূর্বেই দেশের বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে মিষ্টি বিতরণ করে সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ নিয়েছেন এই দম্পতি।
বাবার কাছে মোবাইল চাওয়ায় ভাইকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যের কারখানা খুলে রমরমা ব্যবসা
প্রকৃতির সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন রূপরেখা
ঠাকুরগাঁওয়ে খালে পড়ে একজনের মৃত্যু
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের বৈঠক