টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের কৌশলগত সিদ্ধান্ত। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানান, তারা আসলে আগে ব্যাট করতে চেয়েছিলেন।
ম্যাচের বড় টার্নিং পয়েন্ট ছিল ব্যাটিং অর্ডারে গম্ভীরের একটি অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন। ইংল্যান্ডের লেগস্পিনার আদিল রশিদ যখন ১০ম ওভারে ইশান কিশানকে আউট করেন, তখন প্রত্যাশিতভাবে সূর্যকুমার যাদবকে না পাঠিয়ে চার নম্বরে পাঠানো হয় শিবম দুবেকে। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল রশিদের লেগস্পিন আক্রমণ ভেঙে দেওয়া। কারণ শিবম দুবে লেগস্পিনের বিপক্ষে দারুণ কার্যকর।
এরপরই ম্যাচের গতি বদলে যায়। শিবম দুবে মাত্র রান-আউট হওয়ার আগে মাত্র ২৫ বলে খেলেন ৪৩ রানের ইনিংস। হাঁকান ১টি চার এবং ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে সঞ্জু স্যামসন রশিদের বিপক্ষে সাবধানে খেললেও দুবে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন। স্যামসন আউট হওয়ার পরও ভারতের কৌশল বদলায়নি। ডান-বাম ব্যাটিং কম্বিনেশন ধরে রাখতে ক্রিজে পাঠানো হয় হার্দিক পান্ডিয়াকে।
এই কৌশলে বিপাকে পড়েন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। তিনি বাধ্য হন পেসার জোফরা আর্চারকে আগেভাগেই আক্রমণে আনতে। ভারতের কৌশল শুধু ব্যাটিংয়েই সীমাবদ্ধ ছিল না। বোলিংয়েও ছিল পরিকল্পনার ছাপ। দ্রুত উইকেট নেওয়ার জন্য শুরুতেই আক্রমণে আনা হয় হার্দিক পান্ডিয়াকে, যিনি প্রথম বলেই আউট করেন ফিল সল্টকে। এছাড়া জসপ্রিত বুমরাকে পাওয়ারপ্লেতে আনা হয় হ্যারি ব্রুকের জন্য।। ব্রুক ভুল শট খেললে দারুণ ক্যাচ নেন অক্ষর প্যাটেল।
ম্যাচের শেষ দিকে বুমরার তিন ওভার রেখে দেওয়াও ছিল বড় কৌশল। শেষ ১০ ওভারের জন্য তার তিন ওভার রেখে দেওয়া হয়। ১৬তম ও ১৮তম ওভার মিলিয়ে বুমরা দেন মাত্র ১৪ রান। অথচ ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল প্রতি ওভারে ১৪ রান করে। ম্যাচ শেষে সূর্যকুমার যাদব বলেন, ‘আমরা আসলে আগে ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিংয়ে আমাদের পরিকল্পনাটা ঠিকভাবে কাজে লেগেছে।’
ভিন্ন গ্রহের দলের কাছে হারে দুঃখ নেই বাটলারের
দেড় বছর পর জাতীয় দলে আফিফ