অবিশ্বাস্য

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:১৪ এএম

অশ্বনামা

শারীরিক গঠন, বুদ্ধিমত্তার অধিকারী রহস্যময় প্রাণী ঘোড়া। এই প্রাণীর বিভিন্ন নাম রয়েছে। অনেকে বলে অশ্ব, মাদি, টাট্টু, তাজিয়া বা বিজলি। সাপের বিষ শরীরে প্রবেশ করার পর ঘোড়াা কয়েকদিন অসুস্থ থাকে, তারপর আগের মতো সুস্থ হয়ে ওঠে। কারণ তাদের শরীরেই লুকিয়ে আছে ‘অ্যান্টিভেনাম’ বা সাপের বিষ প্রতিষেধক তৈরির রহস্য। বিভিন্ন দেশে বহু অ্যান্টিভেনাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান শত শত ঘোড়া পালন করে এই ওষুধ তৈরি করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘোড়া মানুষের আবেগ ও হৃদস্পন্দন অনুভব করতে পারে, ফলে মানুষের অন্যতম সেরা বন্ধু ও থেরাপিউটিক সঙ্গী তারা। ঘোড়ার পায়ের বিশেষ পেশি ও টেন্ডন বিন্যাস, খুব কম শক্তি ব্যয় করে দীর্ঘক্ষণ দৌড়াতে সাহায্য করে। অবাক বিষয় হচ্ছে, এরা প্রায় ৩৬০ ডিগ্রি এলাকা দেখে, যা চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক রাখে। চারটে পা রয়েছে এমন রোবটের জন্য, ঘোড়ার পায়ের নকশা অনুকরণ করার চেষ্টা করছেন প্রকৌশলীরা। লাইভ সায়েন্স ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘোড়া বেশিরভাগ সময় দাঁড়িয়ে থাকে এবং ঘুমাতে পারে। কারণ তাদের নিরাপত্তা। শতাব্দী ধরে তারা মাংসভোজী প্রাণীর শিকার। এ  কারণে দীর্ঘসময়ে এই গুণটি তৈরি হয়েছে। ফলে তারা দাঁড়িয়ে ঘুমায়। কারণ এর ফলে ঘোড়া যেকোনো সময় পালাতে পারে। এই অভ্যাস বা কৌশল অন্য কোনো প্রাণী এখনো আয়ত্ত করতে পারেনি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত