কুমিল্লায় রেলক্রসিংয়ে বাস ও ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে ১১টি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছে কুমিল্লা মহানগর জামায়াত। আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহনের দায়িত্বও নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এবং মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান সোহেলসহ নেতারা।
কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, নিহতদের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ব্যয়ও বহন করা হবে।
কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রেলক্রসিংগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। তিনি এ ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
এদিকে আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল প্রশাসনের সঙ্গে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) একটি দল সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।
এর আগে শনিবার রাত পৌনে ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। বাসটি চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুর যাচ্ছিল। সংঘর্ষে বাসটি প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে ছিটকে যায়।
এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. শাহ জাহান জানান, হাসপাতালে ১৮ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। বর্তমানে ৫ জন ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শেষ হচ্ছে সাত দিনের ছুটি, মঙ্গলবার খুলছে ব্যাংক-অফিস-আদালত