তরমুজের সরবরাহ বেশি ক্রেতা কম

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩১ এএম

ঈদের আগে চড়া দামে বিক্রি হলেও তরমুজের দাম এখন কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটি ও বৃষ্টির কারণে দেশ জুড়ে শীতভাবের কারণে ফলটির চাহিদা ব্যাপকভাবে কমেছে। এ সময় লাভের আসায় কৃষকরা ফসল তুললে উল্টো লোকসানে পড়েছেন। রাজধানীর পাইকারি বাজারের আড়তে পর্যাপ্ত তরমুজ থাকলেও পাইকারের উপস্থিতি কম।

ব্যবসা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অফিস-আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে চাহিদা বাড়বে এবং আশানুরূপ দাম পাওয়া যাবে। বর্তমান বাজারে কেজি দরের পরিবর্তে পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ।

যাত্রাবাড়ীর পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, আড়তে সাধারণত তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হয় এবং ১০০ পিসের কমে কেনা যায় না।

এখন আড়তে ৫ থেকে ৮ কেজি ওজনের ১০০ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৫ হাজার টাকায়। সেই হিসাবে প্রতিটি তরমুজের দাম পড়ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। রমজান মাসে এ দাম ছিল ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

মাঝারি আকারের তরমুজ ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। এ তরমুজগুলোর ওজন ৩ থেকে ৫ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতি পিসের দাম পড়ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

দুই থেকে তিন কেজি ওজনের ছোট আকারের তরমুজ প্রতি ১০০ পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়। এ ক্ষেত্রে প্রতি পিসের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা। এ দামের সঙ্গে আড়তদারি এবং পরিবহন খরচ যুক্ত হয়।

খুচরা বাজারে এসব তরমুজ কেউ কেউ কেজি দরে বিক্রি করলেও বেশিরভাগ দোকানি পিস হিসেবে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় প্রতি পিসে আকারভেদে ৫০ থেকে দেড়শ বা ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে বাজারে তরমুজ আসতে শুরু করেছে। সামনে এপ্রিল মাস জুড়ে ফলটির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন। এখন নোয়াখালী, ভোলা, রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের তরমুজ বেশি আসছে। বরগুনার তরমুজ আসবে আরও কিছুদিন পর। খেপুপাড়া, কুয়াকাটার তরমুজও আসবে।

সিজনের প্রথম তরমুজ আসে সিলেট থেকে জানিয়ে তিনি বলেন, এরপর আসে নোয়াখালী এবং বরিশালের তরমুজ। এরপর খুলনা, ঠাকুরগাঁওয়ের তরমুজ আসবে। সর্বশেষ আসবে নাটোরের তরমুজ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত