সেরা অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস!

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৬, ০১:০৭ এএম

বিশ বছরের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করা ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস অনেকদিন ধরেই সিনেমার দর্শকের কাছ থেকে দূরে। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন পণ্যপ্রতিষ্ঠানের ফটোশুট আর শোরুমের ফিতা কেটেই দিন পার করছেন। সবশেষ ‘দুর্বার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অপু বিশ্বাস। সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও পরে পিছিয়ে যায়। এতে পর্দায় ফেরার প্রত্যাশাটুকু আরও খানিকটা ঝুলে গেল। বিষয়টি নিয়ে অনেকটাই মন খারাপ ঢালিউড কুইনের। তবে সেই মন খারাপ ভাবটা কিছুটা চাঙা করল তার অভিনীত ছায়াবৃক্ষ সিনেমাটি। সমুদ্রকন্যা বলে পরিচিত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটিতে অনবদ্য অভিনয়ের দরুন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন অপু বিশ্বাস। গত শনিবার রাতে উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এতে সেরা পরিচালক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন ‘ছায়াবৃক্ষ’ নির্মাতা বন্ধন বিশ্বাস, সেরা অভিনেতা যৌথভাবে ‘ছায়াবৃক্ষ’র জন্য নিরব এবং ‘ময়নার চর’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ইমন। পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন ‘ছায়াবৃক্ষ’ চলচ্চিত্রের জন্য এলিনা শাম্মী। পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে ‘জলরং’ চলচ্চিত্রের জন্য রাশেদ মামুন অপু। শ্রেষ্ঠ প্রযোজক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র ‘ডট’-এর প্রযোজক বড়ুয়া মনোজিত ধীমন।

এবারের উৎসব প্রসঙ্গে কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভালো গল্প, সুস্থ সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আরও সমৃদ্ধ চলচ্চিত্রচর্চা এগিয়ে নিতে চাই। এ ছাড়াও সমুদ্রের তীরে খোলা আকাশের নিচে একসঙ্গে বসে একটি গল্প দেখা, এ সহজ অথচ গভীর অভিজ্ঞতাই এখানে মূল আকর্ষণ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজার এতদিন কেবল পর্যটনের শহর হিসেবে পরিচিত ছিল, তবে ধীরে ধীরে এটি নিজেকে গড়ে তুলছে একটি সম্ভাবনাময় সাংস্কৃতিককেন্দ্র হিসেবে।’

কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাবের প্রত্যাশা, এ আয়োজন ধারাবাহিকতা পেলে এ সৈকতই হয়ে উঠতে পারে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চ। আগামী বছর থেকে উৎসবের পরিসর বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি। সমাপনী অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় কক্সবাজার লাবণী সৈকতের উন্মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণ। প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬-এর সহযোগিতায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং ঢাকা ফিল্ম ক্লাব।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাব আয়োজিত এবারের উৎসবে দেশের ৫টি বাংলা চলচ্চিত্র, ১টি ইংরেজি চলচ্চিত্র এবং ১টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত