দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার প্রতিরোধ ও চিকিৎসা এই দুই ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত কার্যক্রম শুরু করেছে। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সংক্রমণ ঠেকাতে এবং আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যারা এখনো আক্রান্ত হয়নি, বিশেষ করে শিশুদের টিকার আওতায় আনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী এপ্রিল মাসের যে কোনো সময়ে দেশব্যাপী বড় পরিসরে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ইতিমধ্যে এ ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামের বিস্তার রোধে আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আলাদা রাখা অত্যন্ত জরুরি। সে কারণে লক্ষণযুক্ত শিশুদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে সংক্রমণ অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। সেই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। দেশের সব সরকারি হাসপাতালে হামের চিকিৎসার জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
পাশাপাশি আইসোলেশন সুবিধাসহ বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিরোধমূলক টিকাদান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত চিকিৎসা এই তিনটি স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সময়োপযোগী এসব উদ্যোগের মাধ্যমে হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
হামের লক্ষণ নিয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তবে গত ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৭৬৭ জন হামে আক্রান্ত নিশ্চিত হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এদের কারোই মৃত্যু হয়নি। তবে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় ৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি অধিদপ্তর। এদিকে গতকাল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন সেখানে মৃত ৩০ জনের মধ্যে একজনই হামে আক্রান্ত ছিল বলে নিশ্চিত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্তি মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, যে শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, তাকে এখন টিকা দিয়ে লাভ নেই। তাকে আলাদা করে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করতে হবে। আর যারা আক্রান্ত হয়নি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। রাজধানীর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিডফোর্ট) ছাড়া সব হাসপাতালে বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সব মেডিকেল কলেজ ও সব সরকারি হাসপাতালে বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ড চালু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আগামী মাসের ভেতরে কোনো একটা সময় দ্রুততম সময় ক্যাম্পেইন করার পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ ক্যাম্পেইনের জন্য যে ফান্ড এবং প্ল্যান এবং ওয়ার্কওয়ে লাগে, ওয়ার্ক প্ল্যানটা লাগে সেটাতেও আমাদের কিছুদিন সময় লাগবে। ইনশাল্লাহ আমরা শর্টেস্ট পসিবল টাইমে আমরা করব। আমাদের চিন্তাভাবনা এপ্রিলের মধ্যে এটা করা।’
৯ মাসের আগেও যেহেতু হামে আক্রান্ত হচ্ছে সে জন্য টিকা দেওয়ার সময় এগিয়ে আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা চলছে। তবে এটা নিয়ে এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।’
আগে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় ১৭টি অপারেশন প্ল্যান (ওপি) ছিল উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই ওপি বন্ধ করে দেওয়া হয়। যার ফলে শুধু হামের ক্ষেত্রেই নয়, অন্যান্য স্বাস্থ্য খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
এদিকে হামের খবর ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অনেক অভিভাবক। তারা শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে দ্বিধা ও শঙ্কায় রয়েছেন। রাজধানীর কিছু স্কুলে গুজবও ছড়িয়েছে। বলা হচ্ছে ঢাকার বাতাসে নাকি হামের জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মা বলেন, গতকাল স্কুলে আলোচনা হচ্ছিল ঢাকার বাতাসে হামের জীবাণু। এখন চিন্তায় আছি ছেলেকে বাসা থেকে বের করব কি না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো. হালিমুর রশিদ বলেন, ঢাকার বাতাসে জীবাণুু বের হয়েছে এটার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। গুজবে কান দেওয়া যাবে না। হাম আক্রান্ত শিশুর কাছে বা সংস্পর্শে গেলে সেখান থেকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে জন্য সচেতন থাকতে হবে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক বলেন, ‘এটা সংক্রামক ব্যাধি। প্রচ- আকারে বেড়ে গেছে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছে। মার্চে এটা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক বছরের নিচের শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। পাঁচ বছরের ওপরে খুবই কম, রেয়ার। ২০২৫ সালে টিকার কাভারেজ খুব বেশি ছিল না। সেটির কারণে বেড়ে গেছে। আর ২৪ সালে যে ক্যাম্পেইন হওয়া কথা ছিল তা হয়নি।’
তিনি বলেন, হামে যেটা হয় কমপ্লিকেশন হয়ে নিউমোনিয়া হয়ে বেশ কিছু শিশু মারা যাচ্ছে। যেহেতু হামের সংক্রামক ব্যাধি। এটা কমপ্লিকেশন বেশি। মারা যায়, অপুষ্টি হয়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চোখের মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয়। সুতরাং এটা আমাদের মেইন হলো প্রতিরোধ করা। প্রতিরোধ করতে গেলে অবশ্যই অবশ্যই টিকা দিতে হবে। টিকা দুই ডোজ। অনেক অভিভাবক টিকা দিতে চান না। কিন্তু তাদের বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। অবশ্যই টিকা দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি কেউ আক্রান্ত হয় অবশ্যই আইসোলেশনে নিতে হবে। আইসোলেশন বলতে ওই শিশুকে ন্যূনতম সাতদিন বাসার আলাদা রুমে রাখতে হবে। তাকে গ্লাভস, মাস্ক পরে টেক কেয়ার করতে হবে। কারণ হাঁচি কাশিতে ছড়ায়।’
৯ মাসের আগে আক্রান্ত হওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, আগে বলা হতো মায়ের কাছ থেকে শিশুর যে প্রতিরোধটা আসে, তা ৯ মাস কভার করে। কিন্তু রিসেন্টলি দেখা যাচ্ছে না, ছয় মাসেই প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এটা নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। কোনো কোনো দেশ বলছে ৯ মাস আগে, ছয় মাসের পরে দিতে।
স্কুলগামী কোনো শিশুর হাঁচি কাশি জ্বর হলে তাকে ৪-৫ দিন স্কুলে না পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, কারণ জ্বরের তিনদিন পর গিয়ে র্যাশ ওঠে। তার আগে তো বুঝতে পারবে না। ওই শিশুর যদি হাম হয়ে থাকে তাহলে জ¦র অবস্থায় তার সংস্পর্শে আসাদের মধ্যে ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।
রামেকে মৃত ৩০ শিশুর একজনের হাম : রাজশাহী নিজস্ব প্রতিবেদক আহসান হাবীব অপু জানান, সোমবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত ৩০ শিশুর ১ জন হাম আক্রান্ত ছিল। অন্যদের হাম শনাক্ত হয়নি। এ ছাড়া তিনি জানিয়েছেন আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ৬ মাসের নিচে। ১ বছরের ওপরে আক্রান্তের সংখ্যা খুবই কম।
এদিকে দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পেয়েছে। তবে এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ভ্যাকসিন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলেই বর্তমান প্রাদুর্ভাবের সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হওয়া উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করা দরকার।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ উল ইসলাম, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক জহুরুল হকসহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
চট্টগ্রামের ৪০ জনের নমুনা ঢাকায় : চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম ব্যুরোর মোহাম্মদ রফিক জানান, চট্টগ্রামে দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৪০ জন শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
পাবনায় দুজন প্রাপ্তবয়স্ক হামে আক্রান্ত : পাবনা প্রতিনিধি রিজভী রাইসুল ইসলাম জানিয়েছেন, পাবনায় আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ৩২ জন রোগী চিকিৎসাধীন, যার মধ্যে দুজন প্রাপ্তবয়স্কও রয়েছেন।
গতকাল সোমবার সকালে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শয্যা সংকটের কারণে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বারান্দায় কাচঘেরা একটি কক্ষে গাদাগাদি করে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মেঝেতেও অবস্থান নিতে হয়েছে অনেক শিশুকে। সদর উপজেলার হারিয়াবাড়িয়া গ্রাম থেকে আসা সুফিয়া বেগম বলেন, গত শনিবার ৯ মাসের নাতিকে ভর্তি করেছি, কিন্তু শয্যা না থাকায় মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে। গরম, মশার উৎপাতে একেবারেই নাকাল অবস্থা সবার।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. রফিকুল হাসান জানান, পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ৩৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকে। সীমাবদ্ধতার কারণে সব সময় পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। তবে আমরা জরুরি ভিত্তিতে আইসোলেশন ইউনিট চালু করেছি এবং সাধ্যমতো চিকিৎসা দিচ্ছি।
আক্রান্ত বেড়ে ৬৮ : ময়মনসিংহ প্রতিনিধি মো. মঈন উদ্দিন রায়হান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত নতুন করে আরও ছয় শিশু ভর্তি হয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৬৮ শিশু চিকিৎসাধীন ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৭ মার্চ থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত মোট ১০৮ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে জ্বর ও শ্বাসকষ্টের লক্ষণ ছিল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাম কর্নারের কক্ষগুলোতে রোগীদের চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। তাই হাসপাতাল প্রশাসন বর্তমানে ৮ তলায় পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখানে অক্সিজেন সরবরাহ, নার্স স্টেশন এবং চিকিৎসকদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গোপালগঞ্জে ভীতি : গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি সঞ্জয় বিশ্বাস জানিয়েছেন, গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ মাসের শিশুকন্যা তুবা ইসলাম তোহার মৃত্যু এলাকাবাসীর মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করেছে। তারা মনে করছেন আবারও কি মারণব্যাধি হাম ফিরে আসছে। আর বিষয়টি নিয়ে গোপালগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগের মধ্যে নড়াচড়া শুরু হয়েছে। তারা তোহার চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ডকুমেন্ট ও উপসর্গ নিয়ে কেসস্টাডি তৈরি করছে।
সিলেটে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ২০ : সিলেট নিজস্ব প্রতিবেদক ফখরুল ইসলাম জানান, হামের লক্ষণ নিয়ে সিলেট বিভাগের ৩টি হাসপাতালে ২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
