বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় রিমি খাতুন নামে এক স্কুলছাত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে কাহালু ও দুপুরে সদর উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সরলপুর পাইকড়তলা এলাকার রানা মিয়ার মেয়ে ও চাঁদমুহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রিমি খাতুন (৭) এবং কাহালু উপজেলার কালাই কর্নিপাড়া গ্রামের সুমন আলী (২৩), তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী।
জানা গেছে, বুধবার রাত আটটার দিকে কাহালু উপজেলার বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের মুরইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি দুর্ঘটনায় সুমন আলী নামের এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় মোস্তফা ও সালাম নামে দুইজন আহত হন। তারা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, সুমনসহ আটজন রাজমিস্ত্রী কাজ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বগুড়ার হাকিরমোড় এলাকা থেকে একটি অটোভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে গেলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে যাত্রীরা সড়কে পড়ে গেলে নওগাঁ থেকে আসা একটি ট্রাক সুমনকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় ।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার চাঁদমুহা বাজার সংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি ইজিবাইকের সাত বছরের শিশু রিমি খাতুনকে ধাক্কায় দিলে ঘটনাস্থলে সে নিহত হয়। রিমির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
