গাইবান্ধায় হামের সন্দেহ উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৪ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধা সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গত ২৯ মার্চ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে একজন শিশু। পরদিন ৩০ মার্চ দুইজন শিশু ভর্তি হয়। এছাড়া সুন্দগঞ্জ উপজেলায় দুইজন ও সাঘাটা একজন। এরমধ্যে গতকাল একজন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। গত এক সপ্তাহে গাইবান্ধা জেলায় হামের সন্দেহ উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। বর্তমানে চার শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ছয় শিশুর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই শিশুরা হামে আক্রান্ত কি না সেটি জানার জন্যে ঢাকার মহাখালীতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন আসতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিফ রহমান বলেন,গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে দুই শিশুকে আলাদা কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের হাম-রুবেলায় আক্রান্তের সকল চিহ্ন স্পষ্ট। তবে যেহেতু এখানে পরীক্ষার সুযোগ নেই, সেহেতু নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় নমুনা পাঠানো হয়েছে।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান বলেন, ওই শিশুরা স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং সুস্থ হয়ে অনেকেই বাড়িও ফিরছে।
হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা বলে জানান তিনি।
