চীনের ‘ওয়ান চায়না পলিসি’ বা ‘এক চীন’ নীতির প্রতি বাংলাদেশের জোরালো ও দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের অধীনে দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
গতকাল সোমবার বেইজিংয়ের একটি অভিজাত হোটেলে চীনের ভাইস মিনিস্টার জিন ঝিনের আমন্ত্রণে এক নৈশভোজে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সকালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বেইজিং পৌঁছান মির্জা ফখরুল। সেখানে গত ১৬ এপ্রিল থেকে অবস্থানরত বিএনপির ১৯ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
নৈশভোজ সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপ্রতিম সম্পর্ক কালের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং অত্যন্ত শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে বদ্ধপরিকর।’
সফরসূচি অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আইডিসিপিসি ভবনে আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইজিংয়ের সঙ্গে এবং বিকেলে গ্রেট হলে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যান জেংয়ের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বিএনপির প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দুদু ও এসএম আসাদুজ্জামান রিপন।
এ ছাড়া ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন এমপি ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নজমুল হক নান্নু ও বেবী নাজনীন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি, কামরুজ্জামান রতন এমপি, নীলুফার চৌধুরী মনি, সায়েদ আল নোমান এমপি, মনোয়ার হোসেন এমপি, মায়ের ডাক-এর আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম, কামাল আনোয়ার আহমেদ, কৃষিবিদ ইউনুস আলী, আমান উল্লাহ আমান এবং মীর সোলাইমান।
