নূপুর

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:০১ এএম

পায়ের গোড়ালিতে একটুখানি ঝংকার তোলার অনুষঙ্গের নাম নূপুর। নূপুর নারীর এমন এক অনুষঙ্গ, যার সৌন্দর্য চোখে দেখার সঙ্গে কানে শোনাও যায়। হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের নানা সম্প্রদায়ের মধ্যে নূপুরের ব্যবহার ছিল ও আছে। প্রতœতাত্ত্বিক ইতিহাসে প্রাচীন মিসর ও ভারতীয় উপমহাদেশে নূপুরের অস্তিত্বের প্রমাণ রয়েছে। এমনকি মিসরে খ্রিস্টপূর্ব ৩৮০০ সালে পুঁতির নূপুরের নিদর্শনও পাওয়া গেছে। ‘নুপুরের ঝংকার একসময় শুধু সাধারণ নারীর সাজে নয়, রাজপ্রাসাদের অলংকার ভা-ারেও জায়গা করে নিয়েছিল। মিসরের নারী ফারাও হাতশেপসুতের ভাস্কর্যে দেখা প্রশস্ত ধহশষবঃ তারই প্রাচীন সাক্ষ্য।

শুরুর দিকে নূপুর ছিল মূলত নারী ও শিশুর নান্দনিক অলংকার। তবে অঞ্চল ও সংস্কৃতি ভেদে এর ব্যবহার, উপাদান ও অর্থ বদলেছে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে রুপার নূপুর বিশেষ জনপ্রিয় অলংকার। নাচের সঙ্গে যুক্ত হয় ঘণ্টিযুক্ত ঘুঙুর। সাধারণ পায়েল বা নূপুরে অবশ্য ঘণ্টার সংখ্যা অনেক কম থাকে।

নূপুরের ধরন অনেক। রুপার চেইন নূপুর, ঘুঙুর নূপুর, পুঁতির নূপুর, চার্ম নূপুর, পাথর বা মুক্তা বসানো নূপুর এবং ভারী ঐতিহ্যবাহী নূপুর উল্লেখযোগ্য। সময়ের সঙ্গে নূপুরের নকশা হয়েছে আরও হালকা ও আধুনিক। এখন চলছে পাতলা সিলভার বা গোল্ড-টোন চেইন, মিনিমাল ডিজাইন, ছোট চার্ম, মুক্তা ও রঙিন পুঁতির নূপুর। একসঙ্গে একাধিক নূপুর পরার ‘লেয়ারিং’ও জনপ্রিয় আজকাল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত