প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণে প্রস্তুত যশোর। আজ সোমবার তিনি যশোরে আসছেন। তাকে বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যশোর জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনসহ যশোরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। এই সফরে তারেক রহমান তার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন ও জনসভা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সফল করতে তার আসা-যাওয়ার পথে নিñিদ্র নিরাপত্তাসহ কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হয়েছে অনুষ্ঠানস্থলগুলো।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে যশোর শহরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে জেলা বিএনপি। জনসভা ঘিরে বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৫ হাজারের মতো যানবাহনের জন্য ইতিমধ্যে ১০টি পার্কিং স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে এমপি মন্ত্রী ও ভিআইপিদের জন্য আলাদা পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে সরাসরি যাবেন জেলার শার্শা উপজেলার উলাশীতে। সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে পুনঃখননস্থলে এক সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে বেলা সোয়া ১টায় যশোর শহরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
বেলা দেড়টায় প্রধানমন্ত্রী যশোরের পৌনে দুইশ বছরের প্রাচীন ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন। এরপর যশোর সার্কিট হাউজে নামাজ ও দুপুরের খাবারের বিরতির পর বিকেল সাড়ে তিনটায় যশোর ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় ভাষণ দেবেন। পরে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে যশোর ছাড়বেন।
এদিকে বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকারপ্রধানের আগমনে যশোর উৎসবের শহরে পরিণত হবে। শহরে ও শহরতলিতে, গ্রামপর্যায়েও চলছে মাইকিং। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন যশোরবাসী। এই সফর যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় মান উন্নয়ন ঘটবে এমনটিই আশা সবার।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, একটি শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক জনসভা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা বিএনপি। যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) অগ্রবর্তী দল যশোর পৌঁছে নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘœ করতে নিরাপত্তাসংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।